একতা ডেস্ক: যশোর চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিক্রির শেষ দিন ছিল শনিবার। এদিন ১৯টি পদের বিপরীতে ২১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আগমী ৭ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে দুইজন প্রত্যাহার করে নিলে বিনা প্রতিদ্বদ্বিতায় মিজানুর রহমান খানের নেতৃত্বাধীন প্যানেল বিজয়ী হবেন। প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী না থাকার কারণে আগামী ৩০ নভেম্বর ভোটগ্রহণ করা লাগছে না। মনোয়নপত্র কেনার শেষ দিনে সাধারণ সদস্য হিসেবে ২৮ জন, সহযোগী সদস্য হিসেবে ১৪ জন ও গ্রুপ সদস্য হিসেবে একজন কিনেছিলেন। যাদের বেশিরভাগই বিএনপির সমর্থক।
শনিবারে মনোয়নপত্র জমা দেয়া প্রার্থীরা হলেন, যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ও এই নির্বাচনের প্যানেল লিডার মিজানুর রহমান খান, শ্যামল দাস, জাহিদ হাসান টুকুন, সাজ্জাদুর রহমান সুজা, তানভিরুল ইসলাম সোহান, গোলাম রেজা দুলু, আবদুল হামিদ চাকলাদার, এজাজ উদ্দিন টিপু, খাইরুল কবির, মঞ্জুর হোসেন মুকুল, মো: নূরুজ্জামান, মোকসেদ আলী, কাসেদুজ্জামান সেলিম, সাজ্জাদুল করিম কাবুল, সাইফুল ইসলাম লিটন, মো: কামরুজ্জামান, নূর আলম পাটোয়ারি, রেজাউল করিম, শাহজাহান আলী খোকন, ইসমাইল হোসেন মিলন ও শহিদুল ইসলাম।
চেম্বার অব কমার্স মার্স সূত্র সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনের জন্য যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাদের বেশিরভাগই বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত বা সমর্থক। নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে দুই জনকে প্রত্যাহার করিয়ে নিবেন। ইতোমধ্যে প্রত্যাহারের কাগজে সবারই স্বাক্ষর করা রয়েছে। নেতৃবৃন্দ ঠিক করবেন কোন দুইজনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কপি নির্বাচন কমিশনে জমা দিবেন। বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব ও আদালতে মামলা থাকার কারণে গত এক যুগ ধরে যশোর চেম্বারের নির্বাচন হয় না। ১০ বছর ধরে প্রশাসক নিয়োগ করে ব্যবসায়ীদের এই শীর্ষ সংগঠনটির কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া হচ্ছিল। ২০১১ সালের ১৬ এপ্রিল যশোর চেম্বারের সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে জেলা বিএনপির তৎকালীন যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খানের নেতৃত্বাধীন প্যানেল জয়ী হয়। ২০১৪ সালের ২৩ এপ্রিল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর চেম্বারে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। সেই থেকে প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বপালন করছেন একজন প্রশাসক।
যশোর জেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আনোয়ার হোসেন বলেন, শনিবার যশোর চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচনের জন্য মনোয়ানপত্র জমা প্রদানের শেষ দিন ছিল। এদিন ১৯টি পদের বিপরীতে ২১টি মনোয়ানপত্র জমা পড়েছে। দুইজন প্রার্থী তাদের মনোয়ানপত্র প্রত্যাহার করে নিলে আর নির্বাচন করার প্রয়োজন হবেনা।
তথ্যসূত্রঃ ইনকিলাব

Leave a Reply