1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোন কর্তৃক বাঙালি ও পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ বিতরণ মহালছড়িতে নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্বোধন, জোনের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প ও ত্রাণ বিতরণ খাগড়াছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মহালছড়িতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে সরকারি প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ মহালছড়িতে আশিকার উদ্যোগে খাদ্য, হাইজিন, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ বিতরণ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ চক্রান্তের প্রতিবাদে এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন চত্ত্বরে প্রতিস্থাপনের দাবিতে আগামী ২৭ জুলাই সোমবার বিকেল ৪ টায় ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ নগরকান্দায় ইন্তেকাল করলেন ইউপি চেয়ারম্যান

লালমনিরহাটের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

  • সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৯৮ গননা করুন
প্রতীকী ছবি

একতা ডেস্কঃ লালমনিরহাটে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা তিন দিনের ভারি বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর এখন কিছুটা কমলেও জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো এখনো প্লাবিত রয়েছে।

পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, রোববার রাত ১২টার দিকে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে।

সোমবার সকাল ৬টায় তা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে এবং সকাল ৯টায় ৩ সেন্টিমিটার নিচে নেমে আসে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও ভারি বৃষ্টির কারণে পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার বহু চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, পুকুর ও রোপা আমন ক্ষেতসহ নানা কৃষিজমি। বিশেষ করে হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, কালীগঞ্জের কাকিনা ও ভোটমারী, আদিতমারীর গোবর্ধন ও মহিষখোচা, এবং সদর উপজেলার কুলাঘাট, বড়বাড়ী ও মোগলহাট ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানিতে তলিয়ে আছে।

আদিতমারীর গোবর্ধন গ্রামের ফারুক আহমেদ বলেন, রবিবার বিকাল পর্যন্ত পানি তেমন ছিল না, কিন্তু সন্ধ্যার পর হঠাৎ পানি বাড়তে শুরু করে। এখন ঘরবাড়ি ডুবে গেছে, পরিবার নিয়ে নিরাপদ স্থানে যাচ্ছি। হাতীবান্ধার সিন্দুর্না গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিস্তার পানি ঘরে ঢুকে গেছে, চোখের সামনে সব কিছু ডুবে যাচ্ছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউর হক জিয়া বলেন, উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, ‘তিস্তা তীরবর্তী এলাকা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রশাসন সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews