1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

লালমনিরহাটের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

  • সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৩২ গননা করুন
প্রতীকী ছবি

একতা ডেস্কঃ লালমনিরহাটে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা তিন দিনের ভারি বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর এখন কিছুটা কমলেও জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো এখনো প্লাবিত রয়েছে।

পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, রোববার রাত ১২টার দিকে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে।

সোমবার সকাল ৬টায় তা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে এবং সকাল ৯টায় ৩ সেন্টিমিটার নিচে নেমে আসে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও ভারি বৃষ্টির কারণে পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার বহু চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, পুকুর ও রোপা আমন ক্ষেতসহ নানা কৃষিজমি। বিশেষ করে হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, কালীগঞ্জের কাকিনা ও ভোটমারী, আদিতমারীর গোবর্ধন ও মহিষখোচা, এবং সদর উপজেলার কুলাঘাট, বড়বাড়ী ও মোগলহাট ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানিতে তলিয়ে আছে।

আদিতমারীর গোবর্ধন গ্রামের ফারুক আহমেদ বলেন, রবিবার বিকাল পর্যন্ত পানি তেমন ছিল না, কিন্তু সন্ধ্যার পর হঠাৎ পানি বাড়তে শুরু করে। এখন ঘরবাড়ি ডুবে গেছে, পরিবার নিয়ে নিরাপদ স্থানে যাচ্ছি। হাতীবান্ধার সিন্দুর্না গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিস্তার পানি ঘরে ঢুকে গেছে, চোখের সামনে সব কিছু ডুবে যাচ্ছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউর হক জিয়া বলেন, উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, ‘তিস্তা তীরবর্তী এলাকা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রশাসন সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews