সাইফুল ইসলাম, মাগুরা প্রতিনিধিঃ আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মাগুরার শালিখা উপজেলার কৃষক ও খামারিদের মাঝে চলছে কোরবানির পশু বিক্রির প্রস্তুতি।
এবার কোরবানির বাজারে পশুর ভালো দাম পাওয়ার ব্যপারে আশাবাদী স্থানীয় খামারী ও পশু ব্যবসায়ীদের। এলাকার চাহিদা মিটিয়েও অন্তত ২৯৬৪ টি পশু দেশের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশু হাটে পাঠানো যাবে বলে জানিয়েছেন তারা।
শালিখা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ছোট বড় মোট ১ হাজার ২০৯ টি খামার রয়েছে। এ সকল খামারগুলোতে কোরবানির জন্য গরু ও ছাগল প্রস্তুত করার শেষ সময় চলছে। এ সকল গ্রাম ও খামার থেকে গরু, ছাগল সংগ্রহ করছেন ব্যাপারীরা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য মতে এ বছর শালিখা উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ১৬ হাজার ২২ টি তবে প্রস্তুত রয়েছে ১৮ হাজার ৯৮৬টি পশু। অর্থাৎ চাহিদার থেকে ২ হাজার ৯৬৪ টি পশু বেশি রয়েছে। এসব পশুর মধ্যে রয়েছে ষাড় ৫,২৪০ টি, বলদ ২২৬ টি, গাভী ১,১৮৪ টি, মহিষ ৬৪ টি, ছাগল ১০,৯৪৪ টি, ভেড়া ১,৩২৮ টি।
জানা গেছে, প্রতি বছর মতো এবারও কোরবানিকে সামনে রেখে গরু, ছাগল মোটা তাজা করনে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষক ও খামারীরা। বাহিরে থেকেগরু আমদানি না থাকায় এবছর বেশি লাভবান হবে বলে আশা করছেন তারা।
সূত্র জানায়, বর্তমানে উপজেলায় ১হাজার ২০৯ জন মানুষ (খামারি, কৃষক ও ব্যাপারী) এ পেশায় রয়েছেন। খামারি ছাড়াও উপজেলায় সাধারণ কৃষকরা বাড়তি উপার্জনের জন্য বাড়িতে একটি দুইটি করে গরু মোটাতাজা করণ করেন।
উপজেলা গঙ্গারামপুর গ্রামের শুক্রিয়া এগ্রো ফার্মের মালিক মাহমুদুন্নবী জানান, এবার বাইরে থেকে গরু আমদানি না থাকায় দেশি গরুর চাহিদা রয়েছে অনেক। আমার খামার থেকে এখন পর্যন্ত ২০টি গরু বিক্রি করেছি দামও পেয়েছি ভালো। আশা করি বাকিগুলো ভালো দামে বিক্রি হবে।
শালিখা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শাহারীন সুলতানা জানান, উপজেলায় ছোট বড় ১,২০৯ টি খামার রয়েছে। আমাদের ভেটোরিনারি মেডিকেল টিম প্রতিনিয়ত খামারিদের নানা ভাবে পরামর্শ ও সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এ বছর উপজেলায় কোরবানির জন্য ১৮,৯৮৬ টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। উদ্ধৃত পশু দেশের অন্য অঞ্চলের চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে।
Leave a Reply