সোহাগ সন্ধিঃ নাম তার ভাটুলি খাল। মাগুরার শালিখা উপজেলায় ধনেশ্বরগাতী গ্রামের উত্তর পাশে ভাটুলি বিল থেকে ফটকী নদী অভিমুখে প্রবাহিত হয়ে গেছে খালটি। এ খালটির দুই পাশে বেড়ি বাঁধের অভাবে ভাটুলি বিল ও তার সংলগ্ন প্রায় দুই হাজার একর জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায় প্রতি বছর।
বর্ষার মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই খালের পানি উপছে উঠে ফসল ডুবে যায়। আবার যখন মাঠে পানির প্রয়োজন, তখন পানি ধরে রাখার কোন উপায় নেই। এসব কারণে ফসল নষ্ট হয়ে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রতি মৌসুমে।
ভাটুলির মাঠে এখন চলছে পেঁয়াজ রোপনের সময়। চাষিরা দিনান্ত পরিশ্রম করে পেঁয়াজ রোপন করছেন। এই মৌসুমে যদি ভারি বৃষ্টি হয়, তাহলে খালের পানি ফুলে ফেঁপে উঠে কাছাকাছি জমিগুলোতে পানি জমে থাকবে। তাতে পেঁয়াজের ক্ষতি হয়ে যাবে। এমনটি প্রায় বছরই হয়ে থাকে।
এ ব্যাপারে ধনেশ্বরগাতী গ্রামের পেঁয়াজ চাষি সুবল বিশ্বাস বলেন খালের দুই পাশে বেড়ি বাঁধ দিলে হয়তো আমরা এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবো।
গজদুর্বা গ্রামের আঃ রশিদ মণ্ডল বলেন যে বছর অল্প বৃষ্টি হয় সে বছর আমরা অনেক পেঁয়াজ তুলতে পারি। আর বৃষ্টি একটু বেশি হলে সে বছরে খালের পানি ফুলে উঠে সব ভাসিয়ে নিয়ে যায়। খালের পানি ঠেকানোর ব্যবস্থা করা দরকার। আবার তাড়াতাড়ি পানি নেমে যাওয়ারও দরকার।
এ ব্যাপারে সমাজকর্মী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, কলামিস্ট হিমাংশুদেব বর্মণ বলেন, এসব সমস্যা দূর করতে হলে খালের দুই পাশে বেড়ি বাঁধ দিয়ে আউটলেট ইনলেট স্থাপন করতে হবে। যাতে প্রয়োজনে পানি ধরে রাখাও যায়, নিষ্কাশনও করা যায়।

Leave a Reply