একতা ডেস্কঃ মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের পাঁচকাহুনিয়া গ্রামের সরকারি রাস্তার পাশ থেকে অবৈধভাবে ১৪টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল দুপুরে পাঁচকাহুনিয়া গ্রামের সোহেলুজ্জামান চঞ্চল এর স্ত্রী রওশন জামিল লাকি ও তার শশুর আসাদুজ্জামান স্থানীয় হরিশপুর গ্রামের লিয়াকত মিনা নামের এক গাছের ব্যাপারীর কাছে গাছগুলো বিক্রি করে দেন। অতঃপর গাছের ব্যাপারী লিয়াকত মিনা শ্রমিক দিয়ে গাছগুলো কেটে নিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে এলাকার আমজাদ হোসেন সহ আরও অনেকেই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লেখিত অভিযাগ দায়ের করেন। এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পাঁচকাহুনিয়া গ্রামের সরকারি রাস্তার পাশ থেকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহায়তায় ১৪টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়েছেন রওশন জামিল লাকি ও তার শশুর আসাদুজ্জামান। এব্যাপারে বক্তব্য নিতে সরেজমিনে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। তবে তার পরিবারের লোকজন কয়েক বছর আগে রাস্তার পাশে তাদের নিজস্ব জমিতে পরিবারের পক্ষ থেকে গাছগুলো লাগিয়েছেন বলে দাবি করেন। তারা বলেন, এখন গাছগুলো মোটামুটি বড় হয়েছে, পরিবারের প্রয়োজনে গাছ কেটে বিক্রি করেছি। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে গাছ কর্তনের ব্যাপারী লিয়াকত বলেন, সরকারি সার্ভিয়ারকে নগদ ৫ হাজার টাকা দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে ১৪টি গাছ কর্তন করা হয়েছে। আমার কাছে নগদ ৬০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসিনা মমতাজ জানান, শতখালী ইউনিয়নের পাঁচকাহুনিয়া গ্রামে ৫/৬টি মেহগণি গাছ কাটা নিয়ে যে বিরোধ তা তাদের পরিবারের মধ্যে। তারা পরশপর দুই ভাই। তাদের নিজস্য জমি যায়গা নিয়ে দ্বন্দ রয়েছে। যার ফলে এক ভাই আর এক ভাইয়ের নামে এই অভিযোগ দায়ের করেছে। আমরা সার্ভিয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধাণ করেছিলাম। এটা ব্যাক্তি মালিকানা জমি। তারপরও আমি বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করবো।

Leave a Reply