একতা ডেস্কঃ বর্তমানে নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠনের কার্যক্রমে ব্যস্ত দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধারা। শিক্ষার্থীরা এই রাজনৈতিক দলটির প্রতি উচ্চ প্রত্যাশা পোষণ করছে। তবে উঠছে নানা প্রশ্ন। কেমন হতে পারে দলটির রূপরেখা?
জাতীয় নাগরিক কমিটি ইতোমধ্যে ২৭০টি উপজেলা থানা কমিটি গঠন করেছে এবং বাকি উপজেলা কমিটিগুলো গঠনের কাজ চলছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনও একটি কমিটি গঠন করেছে। প্রশ্ন উঠছে, এসব কমিটিতে কারা স্থান পাচ্ছেন, এবং স্থান পাওয়ার যোগ্যতা কী হবে? জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম বলেন, “আমরা ২৭০টি উপজেলা থানা কমিটি গঠন করেছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এর সাথে যারা সরাসরি যুক্ত নন, তারা যেকোনো রাজনৈতিক দল থেকে আসতে পারবেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, “তরুণরা দলের নেতৃত্ব দেবেন, তবে যারা বয়োজ্যেষ্ঠ, তাদের পরামর্শ আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন রাজনৈতিক দলের ইস্তেহারের বিষয়ে জানতে চাইলে, আরিফুল ইসলাম বলেন, “আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা, ক্ষমতার ভারসাম্য, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা এবং শক্তিশালীকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।” জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন বলেন, “আমরা জনগণকে কী দিতে পারছি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ আমাদের কর্মসূচি অনুযায়ী নির্বাচন করবে এবং তাদের ভোট আমাদের কাজে লাগবে।
ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দলটি আগামী নির্বাচনে কাঙ্খিত পরিবর্তন আনার প্রত্যাশা জাগিয়েছে, যা বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Leave a Reply