একতা ডেস্কঃ সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটার পুষ্পকাটি গ্রামে চাঁদা নিতে গিয়ে সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন তিন যুবক। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) নেতারা তাদের ‘সংগঠনের কেউ নয়’ বলে দাবি করেছেন।
গতকাল ১২ জুন, বৃহস্পতিবার ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম রব্বানীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন, দেবহাটা উপজেলার বহেরা গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে নাহিদ হাসান, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালি গ্রামের আত্তাব মোল্যার ছেলে আব্দুর রহিম এবং আশাশুনি উপজেলার আব্দুর রহমান।
আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম রব্বানীর ভাই আব্দুর রব জানান, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে পাঁচ যুবক দু’টি মোটরসাইকেলযোগে তার ভাইয়ের বাড়িতে যায়। এ সময় তারা নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে স্থানীয় জনৈক রফিকের কাছে পাওনা ৫০ হাজার টাকার জন্য এসেছেন বলে গোলাম রব্বানীকে জানান। কথোপকথনের একপর্যায়ে তারা গোলাম রব্বানীকে বাড়ির বাইরে ডেকে নিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।
এ সময় বাদানুবাদের সময় আটককৃতরা তার ভাইকে ছুরিকাঘাত করে এবং বাড়িতে ঢুকে ভাংচুরসহ লুটতরাজ শুরু করে। একপর্যায়ে তারা সম্মিলিতভাবে হামলাকারীদের ধাওয়া দিয়ে ধরে ফেলে। পরে ওই গ্রামের নৌবাহিনীতে কর্মরত এক ব্যক্তির মাধ্যমে সেনা ক্যাম্পে যোগাযোগ করে।
পরে সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার পর আটককৃতদের সেনাবাহিনীর হাতে ও মোটরসাইকেল পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাতক্ষীরা জেলা আহ্বায়ক আরাফাত হুসাইন এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, আটক তিনজনের কেউই তাদের সংগঠনের সদস্য বা সমন্বয়ক নন। তিনি লেখেন, তিনজনের একজনও সমন্বয়ক বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেউ নয়। তবে তাদের একজন আন্দোলন চলাকালে আহত হয়েছিল।
এ বিষয়ে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, আটক হওয়া তিন যুবককে সেনাবাহিনী আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ বা মামলা হয়নি।
Leave a Reply