1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা মহালছড়িতে পিডিবিএফ-এর নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী খাগড়াছড়িতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া প্রদর্শনী শালিখায় সি এন আর এস এর উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন মহালছড়িতে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন শালিখায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শালিখায় সিপিবি-র বৈঠক অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী ও সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার বিতরণ নতুন বাজেট জনগনের কল্যাণ ও উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েছে: সংস্কৃতি মন্ত্রী শালিখায় চুরির অভিযোগে তিন চোর আটক

সম্প্রীতির আলোচনা হোক

  • শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৩ গননা করুন

অবশেষে দুই দেশের সচীব পর্যায়ের বৈঠকের খবর বেশ স্বস্তি ডেকে আনার কথা প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও ভারতের শান্তিপ্রিয় জনগণের মধ্যে। তবে উভয়ের আলোচনার বিষয়বস্তু থেকে সাম্প্রদায়িকতাকে একদম দূরে রাখতে হবে। তাহলে আলোচনা অবশ্যই ফলপ্রসু হবে বলে এ আত্মবিশ্বাস রাখা যায়। ভিন্ন ধারার লোকেরা ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখতে পারে, দেখছেও। কিন্তু সে ধারাগুলো অধিকাংশই নেতিবাচক। বাংলাদেশের একটি শ্রেণীর লোকে ভারতকে উদ্দেশ্যে করে অনেকরকম কথা বলছে। বউ-এর শাড়ি পোড়াচ্ছেন। আগে একবার উনিই তার নিজের গায়ের শাল পুড়িয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও তার স্ত্রী ভারতের শাড়ি পরেছেন। তাই বলে আমরা দেশবাসী কিন্তু বিশ্বাস করছি না যে, উনি আর কোনদিন ভারতীয় পণ্য কিনবেন না, ব্যবহার করবেন না। আবার ভারতের এমন কিছু লোক যারা ওই রকম চিন্তা পোষণ করে চলেন তারা কখনো এদেশের পর্যটক বয়কট করছেন, কখনো রোগী বয়কট করছেন, কেউ বা এদেশে শান্তিরক্ষী পাঠচ্ছেন, আবার কেউ কলকাতার আবর্জনা দিয়ে বাংলাদেশ ঢেকে দিচ্ছেন।

আসলে যা উল্লেখ করা হলো তার কোনটাই গঠনমূলক নয়। সবই হচ্ছে প্রতিহিংসার আক্রোশ মেটানো। এর কারণ হিসেবে যা পাওয়া যায় তা হলো পরস্পর দেশ দুইটিকে ধর্মীয় প্রতিদ্বন্দী হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখানে রাজনৈতিক দিৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে না কিছুই।

রাজনীতি, কূটনীতি এসব কিন্ত গঠনমূলক হতে হয়। প্রতিহিংসা দিয়ে দেশ চালানো যায় না। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তো নয়ই। এখানে যা উচিৎ ছিল, তা হলো এভাবে নানাভাবে উস্কানী দিয়ে জনগণকে ক্ষেপিয়ে না তুলে হঠাৎ তৈরি হওয়া সমস্যাটা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করা।

যা হোক, দেরিতে হলেও যখন আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, সেই আলোচনায় যেন পারস্পরিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে উভয়পক্ষকে। কারণ আমরা হয়তো সবাই বুঝেছি যে ছোট বড় সবাই সবার কাছে কোন না কোনভাবে নির্ভরশীল।

তাছাড়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত যেভাবে পাশে থেকে সহযোগিতা করেছিল সেটিকে বাংলাদেশ যেমন মনে রাখবে। তেমনি ভারতকেও মনে রাখতে হবে আজ তুচ্ছ সাম্প্রদায়িকতার ছুঁতোয় সেই বন্ধুদেশ যেন শত্রুশিবিরের দিকে ধাবিত না হয়।

নির্বাহী সম্পাদক

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews