1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মধুমতীর বুকে বৈঠার লড়াই, দুই পাড়ে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শালিখায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন! যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত মহালছড়ির দুই কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়! পাসের হার ১৬.৬১ ও ৪.৩৫ শতাংশ লংগদুতে আসন্ন শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান শালিখায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল রাড়িখালি একাদশ বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া সরাতে হবে শনিবারের মধ্যে, না হলে বরাদ্দ বাতিল

সিলেটে দেড় হাজার শ্রমিকের চুলায় আগুন জ্বলছে না

  • শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৩৭ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ দেড় হাজার শ্রমিকের ১৭ সপ্তাহ ধরে মিলছে না মজুরি ও রেশন। কবে এসব মিলবে সেটাও বলতে পারছে না মালিকপক্ষ। মজুরি ও রেশন না পেয়ে প্রায় এক মাস ধরে কাজে যান না শ্রমিকরাও। ফলে বন্ধ রয়েছে চা-পাতা উত্তোলনও। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাগান। বাগান কর্তৃপক্ষ বলছে, ব্যাংক থেকে ঋণ নবায়ন না হওয়ায় মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়েছে কোম্পানি। গেল বছরের ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় এবার ব্যাংক নবায়ন করছে না। আর ঋণ না পেলে শ্রমিকদেরও মজুরি দেওয়া সম্ভব নয়। আর শ্রমিকদের দাবি, তাদের চুলা বন্ধ। মজুরি ও রেশন না পাওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পেটে ভাত না জুটলে হাতে কাজ ওঠে না- এমন দাবি তাদের। এমন নাজুক অবস্থা চলছে সিলেটের তিনটি চা-বাগান ও একটি কারখানায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অব্যাহত লোকসানের মুখে মারাত্মক আর্থিক সংকটে রয়েছে বুরজান টি কোম্পানির মালিকানাধীন বুরজান, ছড়াগাঙ ও কালাগুল চা-বাগান এবং বুরজান চা ম্যানুফ্যাকচারিং কারখানা। গত বছর কৃষি ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি কোম্পানি। ফলে এ বছর নতুন করে ঋণ মেলেনি। এ নিয়ে আইন-আদালত করেও কোনো লাভ হয়নি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অনড়। বকেয়া টাকা না পেলে নতুন ঋণ দেবে না। এ অবস্থায় তিনটি চা-বাগান ও একটি কারখানার স্থায়ী এবং অস্থায়ী প্রায় দেড় হাজার শ্রমিকের মজুরি ও রেশন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। ফলে মারাত্মক বিপদে পড়েন শ্রমিকরা।

একই অবস্থা বিরাজ করছে ন্যাশনাল টি কোম্পানির মালিকানাধীন লাক্কাতুড়া চা-বাগানেও। তবে গত মঙ্গলবার লাক্কাতুড়ার শ্রমিকদের একদফা বকেয়া মজুরি ও রেশন দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবারও কিছু বকেয়া মজুরি পরিশোধের কথা রয়েছে। চা শ্রমিক ইউনিয়ন সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালা জানান, বুরজান টি কোম্পানির মালিকানাধীন চা-বাগান ও কারখানাগুলোতে প্রায় ১৭ মাস ধরে মজুরি ও রেশন বন্ধ। শ্রমিকদের চুলায় আগুন জ্বলছে না। চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। বকেয়া মজুরি ও রেশন নিয়ে মালিকপক্ষের কাছ থেকেও কোনো ইতিবাচক সাড়া মিলছে না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews