একতা ডেস্কঃ দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষে বিলাল আহমদ মুন্সী (৩৫) নামে এক যুবদলকর্মী নিহত হয়েছেন সিলেট নগরের শাহপরাণ এলাকায়। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে শাহপরাণ থানাধীন বাহুবল এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন বিলাল। নিহত বিলাল আহমদ মুন্সী শাহপরাণ বাহুবল আবাসিক এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে।
এদিকে, বিলাল হত্যার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তার মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। বিকেল ৩টায় শাহপরাণ গেটে সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে স্থানীয় লোকজন ও যুবদল নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, বাহুবল এলাকার স্কুলছাত্র সাকের ও রাশেদের মধ্যে সিনিয়র ও জুনিয়র দ্বন্দ্ব নিয়ে কদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এলাকার কিছু লোক দুইপক্ষে বিভক্ত হয়ে এই বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সালিশ-বৈঠকও হয়। কিন্তু পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। এরই জের ধরে সাকেরের পক্ষ নেন যুবদল-ছাত্রদলের সিলেটের শাহজালাল উপশহর গ্রুপের কিছু নেতা-কর্মী। সোমবার রাত ১০টার দিকে যুবদলের উপশহর গ্রুপের কয়েকজন নেতা-কর্মী সশস্ত্র অবস্থায় বাহুবল এলাকায় যান।
এ সময় তারা স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে যুবদলকর্মী বিলাল আহমদ মুন্সী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, নিহতের হাতের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, ময়নাতদন্তের পর মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে শাহপরাণ বাজারে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন এলাকাবাসী।

Leave a Reply