একতা ডেস্কঃ দীর্ঘদিন ধরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকা বাংলাদেশে চলতি রমজান মাসে তার হ্রাস পেয়েছে এমন সংবাদে খানিকটা আশ্বস্ত হলো দেশবাসী। প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম এবার গত বছরের তুলনায় কম। পিঁয়াজ, আলু গত বছরের তুলনায় অর্ধেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি গত বছরের তুলনায় অর্ধেক কমেছে। গত রমজানে শসার দাম ছিল ১০০ টাকা। এবার তা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধনেপাতার কেজি গত রমজানে ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। এবার বাজারে ধনেপাতা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। দাম কমায় বেশির ভাগ নিত্যপণ্য কেনায় মিলছে স্বস্তি।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, দেশি রসুন বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৩০ টাকায়। গত বছর এ রসুন বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। আমদানিকৃত আদা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা। গত বছর বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকায়। কাঁচা মরিচ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৮০ টাকায়। গত বছর বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ১২০ টাকায়। কাঁচা পেঁপে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৪০ টাকায়। গত বছর বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। লাল ডিম বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৯ টাকা ১৭ পয়সা থেকে ১০ টাকা। আর গত বছর এ সময়ে দাম ছিল ১০ টাকা থেকে ১১ টাকা ২৫ পয়সা। এমনকি ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ ছোলা গত বছরের তুলনায় ৫ টাকা কমেছে। গত বছর ছিল ১০৫ থেকে ১১৫ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। তবে কিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) তথ্যানুসারে, বোতলজাত সয়াবিন তেল বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৭৮ টাকায়। গত বছর বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায়। এ ছাড়া চালের দাম বেড়েছে। চিকন চাল বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮৫ টাকায়। গত বছর বিক্রি হয়েছে ৬২ থেকে ৭৫ টাকায়। মোটা চাল বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। গত বছর এ সময়ে বিক্রি হয়েছে ৪৮ টাকা থেকে ৫২ টাকায়।

Leave a Reply