একতা ডেস্কঃ পর্যটন খাতের ব্যবসায়ী মহলে বিরাজ করছে অস্থিরতা গত কয়েক মাস ধরেই। এ খাতের দুটি সক্রিয় সিন্ডিকেটের পরস্পরবিরোধী অভিযোগ আর স্বৈরাচারের দোসরদের অপতৎপরতা রোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপে বন্ধের উপক্রম হয়েছে পাঁচ হাজারেরও বেশি ট্রাভেল এজেন্সি। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ। সিন্ডিকেটকে দায়ী করেই তারা বলছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পুরো খাতটিই বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। আটাবের সভাপতি আব্দুস সালাম আরেফ ও সাধারণ সম্পাদক আফসিয়া জান্নাত সালেহের নেতৃত্বাধীন বিতর্কিত কমিটি বাতিল করে দ্রুত প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় বর্তমানে দুটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। একটিতে আবদুস সালাম আরেফ ও আসফিয়া জান্নাত সালেহ, যারা পতিত স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে পরিচিত।
অপরটি আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক ও মঈন ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী গোফরান চৌধুরী মলয়, যিনি বিএনপি-জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত। আরেফ-সালেহ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে স্বৈরাচারের দোসর হয়েও বহাল তবিয়তে থাকাসহ বিএনপি-জামায়াতপন্থি ব্যবসায়ীদের হয়রানি ও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন চেষ্টার অভিযোগ করেন আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক ও মঈন ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী গোফরান চৌধুরী মলয়। আরেফ-সালেহ আটাব অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি (ওটিএ) নামক একটি এজেন্সি প্রতিষ্ঠা করেন, যা বাণিজ্যসংঘ বিধি ও আটাব সদস্যদের স্বার্থের পরিপন্থী। ওটিএ ব্যবহার করে আরেফের মালিকানাধীন ট্রাভেল এজেন্সি এয়ার স্পিড (প্রা.) লিমিটেডও সালেহের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সায়মন ওভারসিজের নামে চেক ইস্যু করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের পর আটাব অনলাইনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেন তারা। শেয়ারহোল্ডারদের টাকাও ফেরত দেননি।
তবে পরিপত্রের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, এতে ট্রাভেলস ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা চাই সব ট্রাভেল এজেন্সি যাতে ব্যবসা করতে পারে সে ধরনের পরিপত্র হোক। আমরা স্বাগত জানাব। অন্যথায় আমরা মানব না। এদিকে তাদের বিরুদ্ধে গোফরান চৌধুরীর করা অভিযোগের বিষয়টি তিনি জানেন বলেও জানিয়েছেন।
Leave a Reply