একতা ডেস্কঃ আমরা বলেছি, নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম কিছু সংস্কার প্রয়োজন। কখনোই বলিনি যে আগে নির্বাচন, পরে সংস্কার। এটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে বলে জানান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার লক্ষ্যে যেসব সংস্কার প্রয়োজন, সেগুলো করতে হবে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপিকে টার্গেট করে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, জাকের পার্টিসহ সব রাজনৈতিক দলের মূল সম্পর্ক জনগণের সঙ্গে। আর যারা সংস্কারের জন্য এগিয়ে এসেছেন, তারা জ্ঞানী ও পণ্ডিত ব্যক্তি, বিশাল ডিগ্রিধারী। আমরা তাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। কিন্তু তারা যদি জনগণের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করেন, তাহলে আমরা সেটিকে সমর্থন করতে পারব না। গণতন্ত্রই রাষ্ট্র পরিচালনার শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা। রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে, তাহলে তাদের পরিণতি হবে আওয়ামী লীগের মতো। জনগণই তখন তাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেবে। তাই জনগণের কোনো দোষ নেই, বরং গণতন্ত্রই সবচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা।
জেলা বিএনপিসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন সখানে।
Leave a Reply