একতা ডেস্কঃ বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ। এদেশের মানুষ ধার্মিক, ধর্মোন্মাদ নয়। সততা, কর্তব্যনিষ্ঠতা, দায়বদ্ধতা আমরা ধর্ম থেকেই শিখেছি। একই সঙ্গে আমাদের রয়েছে বিপুল উদ্দীপনাময় শিক্ষিত তারুণ্য বলে মন্তব্য করেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। আমাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া আগের যে কোন সময়ের চেয়ে ভালো। ফলে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ একটি চমৎকার স্থান।
৮ এপ্রিল, মঙ্গলবার রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত বৈঠকে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। চরমোনাই পীর বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, আপনাদের বিনিয়োগের সুরক্ষায় যা যা করনীয় তা একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা করবো। রাসুলুল্লাহ (স.) পেশাগত জীবনে একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। ইসলামে সৎ ও আমানতদার ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন নবীগণ, সিদ্দীকীন এবং শহীদগণের সঙ্গে থাকবে মর্মে ঘোষণা দিয়ে ব্যবসায়ীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরাও সারাবিশ্বের ব্যবসায়ীদেরকে আমাদের ভূমিতে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশ একটি সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অতিত থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছি।
আর কোনো স্বৈরতন্ত্র যাতে জন্ম নিতে না পারে সেজন্য জাতি হিসেবে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমি নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি, বাংলাদেশের ইসলামপন্থা একটি শান্তিপূর্ণ সংস্কারমূলক ধারায় কাজ করে। এই ভূখন্ডে ইসলাম প্রসারের ঐতিহাসিক কারণেই এখানে সহিংসতার কোনো স্থান নাই। বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনাকে বড় করে না দেখে বরং সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশকে একটি ইতিবাচক, শান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কর্মঠ জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবেই দেখা যাবে।
বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন, দলটির মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনস আহমেদ, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমাদ আব্দুল কাইউম প্রমুখ।

Leave a Reply