1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় পাঁচ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি ও বেহুন্দি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস নগরকান্দায় অসুস্থ সাংবাদিক বোরহান আনিস কে পররাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রীর পক্ষ থেকে অর্থিক অনুদান প্রদান মহালছড়িতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত শালিখার সাবেক ওসি বিপ্লব ও এসআই ইসমাইল ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা মামলায় জেলহাজতে মধুমতী নৌকা বাইচ মেলা এবার খাজনামুক্ত, প্রশংসায় নিতাই রায় চৌধুরী শালিখায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ৫৪ তম মৃতুবার্ষিকী স্মরণে ঝিনাইদহে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শালিখায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত শালিখায় ৭৪ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ শালিখায় জমি নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই খুন

চার বছরের শিশুর বস্তাবন্দি লাশ পাওয়া গেল সেফটি ট্যাঙ্কে

  • শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫
  • ১৬৬ গননা করুন
প্রতীকী ছবি।

একতা ডেস্কঃ জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার হোমাইল গ্রামের চার বছর বয়সের শিশু মোছাঃ রদিয়া আকতার, রুহি নিখোঁজ হওয়ার ছয়দিন পর গতকাল শুক্রবার রাতে সেফটি ট্যাঙ্কে তার বস্তাবন্দি লাশ পাওয়া গেল। ওইদিন রাত ১১টায় তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

শিশুটি ওই গ্রামের আবদুর রহমানের সাবেক স্ত্রীর সন্তান। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সৎমাসহ তিনজনকে আটক করেছে। আটক তিনজন হলেন নিহত রদিয়ার সৎমা সোনিয়া খাতুন, সৎমায়ের বাবা মোঃ জিয়া ও রদিয়ার চাচা মোঃ রনি। মা ও নানাকে ফাঁসাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।

থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রদিয়ার মা আরজিনা খাতুনের সঙ্গে তাঁর বাবা আবদুর রহমানের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়েছে। সে মায়ের সঙ্গে একই গ্রামে নানার বাড়িতে থাকত। রদিয়ার বাবা পরে আবার বিয়ে করেন। রদিয়া নানার বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে যেত।

গত ২৪ মে বেলা ১১টার দিকে বাবার বাড়িতে দাদিকে দেখতে যায়। এরপর সে আর নানার বাড়িতে ফিরেনি। পরের দিন রদিয়ার বাবা কালাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। রদিয়ার বাবা ও দাদার বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, রদিয়ার মা ও নানার বাড়ির লোকজন তাকে গুম করেছে। গতকাল শুক্রবার রাতে হঠাৎ করেই আবদর রহমানের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল।

শিশুটির স্বজন ও গ্রামবাসী সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা তুলে ভেতরে একটি বস্তা দেখতে পেয়ে থানার পুলিশকে খবর দেন। রাত ১১টার দিকে বস্তাবন্দী অবস্থায় নিখোঁজ শিশুটির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। রদিয়ার মা আরজিনা খাতুন বলেন, ওরা আমার মেয়েকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। লাশ গুম করতে বস্তাবন্দী করে বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে। পাপকাজ পাহাড়ে ঢাকা থাকে না। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, নিখোঁজ শিশুটিকে হত্যার পর লাশ বস্তাবন্দী করে বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভেতর রাখা হয়েছিল। পুলিশ জিডির সূত্র ধরে তথ্য উদ্‌ঘাটন করেছে। শিশুটিকে তিন-চার দিন আগে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লাশটি গুম করতে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews