1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মহালছড়িতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে সরকারি প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ মহালছড়িতে আশিকার উদ্যোগে খাদ্য, হাইজিন, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ বিতরণ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ চক্রান্তের প্রতিবাদে এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন চত্ত্বরে প্রতিস্থাপনের দাবিতে আগামী ২৭ জুলাই সোমবার বিকেল ৪ টায় ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ নগরকান্দায় ইন্তেকাল করলেন ইউপি চেয়ারম্যান মহালছড়ির ক্যায়াংঘাট ইউনিয়নে আশিকা ডেভলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটেস এর মানবিক ত্রাণ সহায়তা বিতরণ মহালছড়িতে স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশ ও স্টার্ট নেটওয়ার্কের মানবিক সহায়তা প্রকল্প অবহিতিকরণ সভা অনুষ্ঠিত

সংরক্ষিত হচ্ছে মাগুরার ঐতিহাসিক ভাতের ভিটা

  • সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭৪ গননা করুন

সাইফুল ইসলাম, মাগুরা প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মাগুরা সদররের টিলা গ্রামে ঐতিহাসিক ভাবে ভাতের ভিটা সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। প্রাচীন এই জনপদে খনন কাজ শেষ করে বর্তমানে ধ্বংসাবশেষ সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজে ব্যাস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকেরা।

সরেজমিনে টিলা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ভাতের ভিটা এলাকায় খনন পরবর্তী সংরক্ষণের কাজ চলছে। প্রাচীন আমলের ইট, টালি ও চুন-সুরকির তৈরি স্থাপনাটির ধ্বংসাবশেষর চার পাশে নুতন সুরক্ষার বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে।

এখানে কর্মরত শ্রমিক নেপাল চন্দ্র যানান, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে আমরা এখানে দুই মাস ধরে কাজ করছি। প্রথমেই প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এই এলাকায় এসে ভাতের ভিটা পরিদর্শন করে বিভিন্ন বিষয় যাচায়-বাছায় করে যায়।

এখানকার ইট, মাটি খুঁড়ে বিভিন্ন জিনিস যাচাই-বাছাই শেষে এটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়। তারপর আমাদের সংরক্ষণের কাজে এ এলাকায় কাজ করতে বলে।

তিনি জানান, আমরা প্রথমে ভাতের ভিটা এলাকায় এসে ধ্বংসস্তুপের চার পাশে খনন কাজ শেষ করি। এখানে পুরাতন জমিদার আমলের ইটের তৈরি একটি ধ্বংসাবশেষ কুঠি বাড়ির চিহ্ন রয়েছে।

এই বাড়িটির উপরের অংশ একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রাচীন আমলের ইট, বালি, মাটি আর চুন- সুড়কি দিয়ে এটি তৈরি হয়েছিল। এখন এই বাড়িটির নিচের অংশে শুধু ইটের ধ্বংসাবশেষ কিছু চিহ্ন রয়েছে, সেটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ।

ধংস স্তুপ এর চারপাশের খননের কাজ শেষ। আমরা এখন ইটের উপরের অংশ পরিষ্কার করে রং লাগানোর চেষ্টা করছি।

টিলা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা খোকন মৃধা বলেন, প্রায় ২ হাজার বছর আগে আমাদের এই গ্রামে ভীম রাজা নামে একজন বসবাস করতেন। তিনি প্রথমে এই এলাকায় একটি কুঠিবাড়ি তৈরি করেন। তখন এই গ্রামের নাম ছিল ভ্রমর দা। পরবর্তীতে এই ভ্রমরদা থেকেই এই গ্রামের নাম করন করা হয় টিলা।

ভীম রাজা একজন পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন। তার রাজ্যের বিস্তৃত ছিল সুদুর পাবনা পর্যন্ত। পরবর্তীতে এখানকার নাম হয় ভাতের ভিটা। তিনি আরো জানান, অনেক আগে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উচিত ছিল ঐতিহাসিক এটি সংরক্ষণ করার।

বর্তমানে এ ঐতিহাসিক স্থানটির সারা দেশের মধ্যে অন্যতম। এটি সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমরা এলাকাবাসি খুবই খুশি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews