1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু মহালছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর নবীন বরণ অনুষ্ঠান যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ৬ এপ্রিল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সংরক্ষিত হচ্ছে মাগুরার ঐতিহাসিক ভাতের ভিটা

  • সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৫ গননা করুন

সাইফুল ইসলাম, মাগুরা প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মাগুরা সদররের টিলা গ্রামে ঐতিহাসিক ভাবে ভাতের ভিটা সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। প্রাচীন এই জনপদে খনন কাজ শেষ করে বর্তমানে ধ্বংসাবশেষ সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজে ব্যাস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকেরা।

সরেজমিনে টিলা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ভাতের ভিটা এলাকায় খনন পরবর্তী সংরক্ষণের কাজ চলছে। প্রাচীন আমলের ইট, টালি ও চুন-সুরকির তৈরি স্থাপনাটির ধ্বংসাবশেষর চার পাশে নুতন সুরক্ষার বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে।

এখানে কর্মরত শ্রমিক নেপাল চন্দ্র যানান, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে আমরা এখানে দুই মাস ধরে কাজ করছি। প্রথমেই প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এই এলাকায় এসে ভাতের ভিটা পরিদর্শন করে বিভিন্ন বিষয় যাচায়-বাছায় করে যায়।

এখানকার ইট, মাটি খুঁড়ে বিভিন্ন জিনিস যাচাই-বাছাই শেষে এটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়। তারপর আমাদের সংরক্ষণের কাজে এ এলাকায় কাজ করতে বলে।

তিনি জানান, আমরা প্রথমে ভাতের ভিটা এলাকায় এসে ধ্বংসস্তুপের চার পাশে খনন কাজ শেষ করি। এখানে পুরাতন জমিদার আমলের ইটের তৈরি একটি ধ্বংসাবশেষ কুঠি বাড়ির চিহ্ন রয়েছে।

এই বাড়িটির উপরের অংশ একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রাচীন আমলের ইট, বালি, মাটি আর চুন- সুড়কি দিয়ে এটি তৈরি হয়েছিল। এখন এই বাড়িটির নিচের অংশে শুধু ইটের ধ্বংসাবশেষ কিছু চিহ্ন রয়েছে, সেটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ।

ধংস স্তুপ এর চারপাশের খননের কাজ শেষ। আমরা এখন ইটের উপরের অংশ পরিষ্কার করে রং লাগানোর চেষ্টা করছি।

টিলা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা খোকন মৃধা বলেন, প্রায় ২ হাজার বছর আগে আমাদের এই গ্রামে ভীম রাজা নামে একজন বসবাস করতেন। তিনি প্রথমে এই এলাকায় একটি কুঠিবাড়ি তৈরি করেন। তখন এই গ্রামের নাম ছিল ভ্রমর দা। পরবর্তীতে এই ভ্রমরদা থেকেই এই গ্রামের নাম করন করা হয় টিলা।

ভীম রাজা একজন পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন। তার রাজ্যের বিস্তৃত ছিল সুদুর পাবনা পর্যন্ত। পরবর্তীতে এখানকার নাম হয় ভাতের ভিটা। তিনি আরো জানান, অনেক আগে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উচিত ছিল ঐতিহাসিক এটি সংরক্ষণ করার।

বর্তমানে এ ঐতিহাসিক স্থানটির সারা দেশের মধ্যে অন্যতম। এটি সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমরা এলাকাবাসি খুবই খুশি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews