একতা ডেস্কঃ নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক এমপি রানা মোহাম্মদ সোহেল জনগণের হাতে পিটুনী খেলেন হবিগঞ্জে। তিনি সাবেক সেনা কর্মকর্তাও ছিলেন। ঘটনার সময় তিনি এমপি বাদ দিয়ে শুধু অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা বলেই নিজের পরিচয় দিচ্ছিলেন।
জানা গেছে গতকাল রবিবার দুপুর ২টার দিকে জেলার চুনারুঘাট পৌরসভার পারকুল খোয়াই সেতুতে মটরসাইকেল আরোহী শাহীনের সাথে তর্কে জড়িয়ে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছোড়েন। তবে গুলি শাহীনের শরীরে লাগেনি। এরপর আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা ওই ব্যক্তিকে ধরে মারপিট করেন। এরপর চুনারুঘাট থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় আটক হওয়া ব্যক্তির স্ত্রীও সঙ্গে ছিলেন। ঘটনার পরই চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তির পরিচয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরে জানা যায় তিনি নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার রেজাউল হক খান বলেন, আটক ব্যক্তিকে রাতে সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের হেফাজতে নিয়ে যান। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্রটি চুনারুঘাট থানা পুলিশের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। তিনি কী কারণে গুলি ছোড়েন, বিষয়টি তদন্ত করলে জানা যাবে।
হবিগঞ্জ শাহজিবাজার সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে একদল সেনাসদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় ক্যাপ্টেন সামিউন বলেন, ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি থেকে হয়েছে। আটক ব্যক্তি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়েছেন। তবে অস্ত্রটি লাইসেন্স করা কি না, যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply