1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে মুবাছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা

শেখ মুজিব চেয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীত্ব

  • বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৩৭ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসটা একটু অন্যরকমই ছিল। আসলে ক্ষমতা না পাওয়ার পরেই এসেছিল স্বাধীনতার প্রশ্ন। সেদিন শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। ১৯৭০ সালে যখন নির্বাচন হয় তখন সেটা ছিল বাঙালি ও অবাঙালিদের মধ্যে, এটা কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যে ছিল না। যেহেতু সেই সময়ে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী দল ছিল আওয়ামী লীগ, মানুষ আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশভাবে জয়ী করে। স্বাভাবিকভাবে শেখ মুজিবুর রহমান মনে করেছিলেন তাকেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করা হবে এবং তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতেই আগ্রহী ছিলেন।

তিনি বলেন, আমরা যারা সেনাবাহিনীতে ছিলাম, আমরা পাকিস্তানিদের ওপর নজর রাখছিলাম। আমরা দেখলাম প্রতিনিয়ত পাকিস্তান থেকে নতুন নতুন সেনাদল, অস্ত্র-গোলাবারুদ আসতে শুরু করেছে। অথচ ১৯৬৫ সালে আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, তখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সম্পূর্ণ অরক্ষিত ছিল। তখন পাকিস্তান থেকে কোনো সেনাদলও আসেনি, অস্ত্রও আসেনি। তাহলে ‘৭১ সালে যেখানে কোনো নতুন সেনার প্রয়োজন নাই, অস্ত্রের প্রয়োজন নাই, সেখানে কৈন নতুন সেনা-অস্ত্র আসছে? এতে আমাদের মনে সন্দেহ জাগল যে পাকিস্তানিরা হয়তো ক্ষমতা প্রয়োগ করে এ দেশের মানুষকে দমন করবে। তখন আমি, তৎকালীন মেজর জিয়া ও লে. কর্নেল এম আর চৌধুরীর নেতৃত্বে বিদ্রোহের পরিকল্পনা করলাম। এই বিদ্রোহের কথা শেখ মুজিবকে জানালাম। তাকে বললাম, আপনি যদি আমাদের অনুমতি দেন, তবে অতিসহজে আপনাকে বাংলাদেশ স্বাধীন করে দিতে পারব। তিনি আরো বলেন, শেখ মুজিব আমাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেন নাই। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেছিলেন, আমি এক ইয়াহিয়া খানের পরিবর্তে আরেক ইয়াহিয়া খানের ওপর দায়িত্ব দিতে পারি না। তিনবার তার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করি, তিনবারই তিনি আমাদের একই জবাব দেন। পরবর্তী সময়ে আমরা দেখলাম, তিনি পাকিস্তানিদের সঙ্গে বৈঠক ঠিক করলেন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। তিন দিন তিনি বৈঠক করলেন এবং বৈঠক ফলপ্রসু হলো না। এরপর তিনি বললেন, আগামীকাল থেকে হরতাল। এর আগে ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল, তখন আমরা মনে করেছিলাম তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন। তবে তিনি স্বাধীনতার আশপাশেও ছিলেন না। পরবর্তী পর্যায়ে তিনি স্বদিচ্ছায় পাকিস্তানের কাছে আত্মসমর্পণ করে কামাল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তান চলে যান। অর্থাৎ তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চান নাই এবং তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চেয়েছিলেন। তিনি কখনোই বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews