1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা মহালছড়িতে পিডিবিএফ-এর নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী খাগড়াছড়িতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া প্রদর্শনী শালিখায় সি এন আর এস এর উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন মহালছড়িতে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন শালিখায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শালিখায় সিপিবি-র বৈঠক অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী ও সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার বিতরণ নতুন বাজেট জনগনের কল্যাণ ও উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েছে: সংস্কৃতি মন্ত্রী শালিখায় চুরির অভিযোগে তিন চোর আটক

বাজারঘোড়ায় লাগাম দেয়ার কেউ নেই

  • শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩৪০ গননা করুন

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েই চলেছে। বিগত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে বাজার সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছিল তা যেন আর ভাঙার নয়। জনগণ হাঁপিয়ে উঠেছিল তখনই। তারপর যখন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে তাদের পতন হলো, দেশের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়ে বাঁচলো। স্বপ্ন দেখলো সত্যিকারের বৈষম্যহীন সমাজের।

সরকার পতনের পরপরই একটা লণ্ডভণ্ড অবস্থা চলছিল সারাদেশে। তারপর অন্তরবর্তী সরকারের বলিষ্ঠ পদক্ষেপে এখন মোটামুটি একটা স্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে দেশে। কিন্তু দ্রব্যমূল নিয়ন্ত্রণ যেন কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। বাজারের এই দ্রব্যমূল্য ঘোড়ায় লাগাম দেয়ার যেন কোন উপায়ই নেই। মাত্র কয়েকদিন আগের কথা। বাজারের কোথাও ভোজ্যতেল অর্থাৎ সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছিল না। কোথাও নেই সয়াবিন তেল। তখন সরকারী তরফ থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে ৮ টাকা করে বাড়িয়ে দেয়ার ঘোষণার সাথে সাথেই সয়াবিন তেলে সয়লাব হয়ে গেল দেশের বাজার। তেলের আর অভাব নেই।

এখন কথা হলো কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের দাম বাড়িয়ে নেয়া ছিল সিন্ডিকেটের কাজ। সরকার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রশ্ন কি ছিল না ব্যবসায়ীদের কাছে? বাজারে তেল মোটেই ছিল না। দাম বাড়িয়ে দেয়ার সাথে সাথে তা কোথা থেকে আসলো, এমন প্রশ্ন কি করা যেত না? আসলে সিন্ডিকেট ভাঙেনি। বরং হাত বদল হয়ে তারা আরো শক্তিশালী হয়েছে এতটাই যে, অন্তরবর্তী সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখাতেও কোন ভয় পাচ্ছে না তারা।

আসলে দেশের মানুষ তো আর নিতে পারছে না। বিশেষ করে কৃষক, শ্রমিক, মজুরদের যে মাথাপিছু আয়, এই দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির বাজারে তাদের দিন চলবে কীভাবে এ নিয়ে তো ভাবছেন না। ব্যবসায়ী আর চাকরিজীবিদের না হয় কোন সমস্যা হলো না। তবে যারা স্বল্প আয়ের মানুষ এই কৃষক, শ্রমিক মেহনতি মানুষ তাদের তো জীবন দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ এই শ্রেণীর মধ্যে পড়ে। এই বৃহত জনগোষ্ঠীর সার্থটাকে গৌণ করে দেখে সামান্য ১০ ভাগ মানুষের স্বার্থকে মূল্য দেয়া হচ্ছে। এতে অবশ্যই বৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণ হলো না। সেই চরম বৈষম্য থেকেই গেল।

আসুন, আমরা সবাই মিলে অন্তরবর্তী সরকার প্রশাসনের সাথে হাত মিলিয়ে সমস্ত অনিয়মের সিন্ডিকেট ভেঙে সরবস্তরের বৈষম্যকে দূর করে একটি সত্যিকারের বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলি।

নির্বাহী সম্পাদক

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews