1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগাতে চাই: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী শালিখায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‍্যালি ও ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসসহ বিভিন্ন কর্মসূচীতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অংশগ্রহণ শালিখায় ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য সার্বভৌমত্ব র‍্যালি মহালছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে আর পথ হারাবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আজ ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস নগরকান্দার সেনা সদস্য তিতাস শেখ মারা গেলেন টেকনাফে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মহালছড়িতে সিপাহি বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

ভারত সীমান্তে দেড় লাখ চীনা সৈন্য মোতায়েন

  • বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৯ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি)-তে এখনও ১.২ লাখ সশস্ত্র সেনা মোতায়েন রেখেছে চীন। আমেরিকার প্রকাশিত পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে বেইজিং তাদের সেনা সংখ্যা কমায়নি। লাদাখ থেকে অরুণাচল পর্যন্ত বিস্তৃত এলএসি বরাবর চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) বিশাল বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এলএসি-তে চাইনিজ সেনারা ট্যাঙ্ক, হাউইৎজার কামান, ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রসহ উন্নত সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত। আরো উদ্বেগজনক বিষয় হলো, সেখানে পিএলএর অন্তত ২০টি সম্মিলিত অস্ত্র ব্রিগেড মোতায়েন রয়েছে। এদেরকে বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা লাদাখ বা অরুণাচলের মতো অঞ্চলে সংঘর্ষের ক্ষেত্রে চিনের কৌশলগত সুবিধা দিতে পারে। চীনের পশ্চিম থিয়েটার কমান্ড এলএসি পর্যবেক্ষণ করে, যেখানে সামরিক পরিকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন ঘটানো হয়েছে। যদিও পিএলএর কিছু ইউনিট তাদের ছাউনিতে ফিরে গেছে, তবুও বিপুল সংখ্যক সেনা এখনও এলএসি-তে অবস্থান করছে।

২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ওই সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন সৈনিক প্রাণ হারান। পাল্টা আক্রমণে চীনেরও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর, ভারতও এলএসি বরাবর সেনা মোতায়েন বাড়ায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কয়েক দফা আলোচনা হয়। পেন্টাগনের এই রিপোর্ট ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে চীনের দাবি, আমেরিকা ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে উত্তেজনা উসকে দিতে চাইছে। বেইজিংয়ের মুখপাত্র এও বলেন, ভারতের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক উন্নত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র তা মেনে নিতে পারছে না।

রিপোর্টে চীনের পরমাণু শক্তি বৃদ্ধির উল্লেখ রয়েছে। আমেরিকার তথ্য অনুযায়ী, পিএলএর কাছে বর্তমানে ৬০০ পরমাণু অস্ত্র রয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০০ ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা। এছাড়া, চিন দূরপাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক প্রযুক্তি উন্নয়নে মনোযোগ দিচ্ছে। পেন্টাগনের রিপোর্টে চায়না সেনার অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে, যা তাদের স্থিতিশীলতার জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, সামরিক আধুনিকায়নে অন্যান্য দেশের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বেইজিং।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews