একতা ডেস্কঃ লামার ত্রিপুরাপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের ম্যানেজার বান্দরবান জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মং ওয়াই চিং মারমা। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তারকৃত কেয়ারটেকার মো. ইব্রাহিম। সাবেক আইজিপি বেনজীরের বান্দরবানের লিজকৃত জমি ও দখলকৃত জুমিয়াদের শত শত একরের খাসজমি, বাগানবাড়ি, মৎস্য খামার,
গরুর খামারের ম্যানেজারের দায়িত্ব দেন বান্দরবান জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মং ওয়াই চিং মারমাকে।
চন্দ্রমনি ত্রিপুরা, বিদ্যামনি ত্রিপুরাসহ বাসিন্দারা জানান, ‘লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বেতছড়াপাড়া এলাকায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ২০১৭ সালে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মং ওয়াই চিং মারমা ও সরই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিস কম্পানির সহযোগিতায় পাহাড়ি ত্রিপুরা সম্প্রদায় পতিত খাস জুমচাষের ১০০ একর জমি জবরদখল করে বাগানবাড়ি স্থাপন করেন। বাগানবাড়ির নাম দেওয়া হয় এসপির বাগান।
ম্যানেজার মং ওয়াই চিং মারমা বাগানবাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে মো. ইব্রাহিম নামে এক ব্যক্তিকে মাসে ১০ হাজার বেতনে নিয়োগ দেন। ওই সময় মং ওয়াই চিং মারমা ইব্রাহিমের নেতৃত্বে ওই এলাকায় গড়ে তোলেন ১০-১২ জনের লাঠিয়াল বাহিনী। ‘মামলাসহ নানা হুমকি-ধমকির কারণে ভয়ে ২০টি ত্রিপুরা পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যায়। এতে বেনজীর ও মং ওয়াই চিং পালিত লাঠিয়াল বাহিনীর মাধ্যমে সহজেই জুমিয়াদের ১০০ একর জুমের জমি দখল করে নেয়।
Leave a Reply