সোহাগ সন্ধিঃ পৌষ মাসের মধ্যভাগে মাগুরার শালিখায় জেঁকে বসেছে শীত। মাঠে মাঠে আমন ধান কাটা শেষ হয়েছে। নতুন ধানের চাল দিয়ে বাহারি পিঠা তৈরি করেছেন গ্রামীণ নারীরা। গ্রামবাংলার ৩০ পদের পিঠা নিয়ে তাঁরা এসেছেন উপজেলার সীমাখালী ট্রাস্ট ক্যাডেট একাডেমি স্কুল প্রাঙ্গনে। আজ সকাল থেকেই আয়োজন করা হয় গ্রামীণ সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব। দিনব্যাপী চলে পিঠা খাওয়ার ধুম। উৎসবস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নানা পদের পিঠা নিয়ে স্কুল প্রাঙ্গনে এসেছেন নারীরা। নকশি, দুধপুলি, কুলশি, ভাপা, দুধচিতই, চিতই, রসপাকান, ফুলুরি, সবজি ও ডাল-ঝালের তৈরি অন্তত ৩০ পদের দেশি পিঠা সাজিয়ে রাখা হয়েছে টেবিলে। সেখানে কথা হয় তন্দ্রা নামের এক স্কুল শিক্ষিকার সঙ্গে। তিনি বলেন, পিঠা উৎসব বাঙালির একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। প্রতিবছর আমরা এই স্কুলের উদ্যোগে নবান্ন উৎসব পালন করতে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে থাকি। এ বছরও আমরা হরেক রকম পিঠা এনেছি অতিথিদের খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে ও আনন্দ উপভোগ করার জন্য।
উৎসবে তত্ত্বাবধানে থাকা ট্রাস্ট ক্যাডেট একাডেমি স্কুলের প্রধান শিক্ষক পিয়াস হোসাইন ও সহকারি শিক্ষক রিপন বলেন, আমরা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এত ব্যস্ত হয়ে পড়েছি যে গ্রামবাংলার পিঠাগুলোর নাম ভুলে গেছি। পিঠাগুলো পরিচিত করার জন্য প্রতিবছর আয়োজন করা হবে পিঠা উৎসব। আমরা চাই, ভবিষ্যতে যেন এই আয়োজন অব্যাহত থাকে।

Leave a Reply