1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে মুবাছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের অন্তর্গত বাঘাইছড়ি উপজেলার ৫৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ মহালছড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত! সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী মাসালং এ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় ইউপিডিএফ এর বাধা! জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা কাম্য শালিখায় গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের কৃষি বিষয়ে আগ্রহ ও বজ্রপাত সচেতনতায় আলোচনা সভা

বাংলাদেশের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা চায় কানাডার হিন্দু কোয়ালিশন

  • বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৪০ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশে হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মীয়, আদিবাসী ও উপজাতি জনগোষ্ঠী ভয়াবহ পরিস্থিতি পার করছে বলে অভিযোগ করেছে দ্য গ্লোবাল বেঙ্গলি হিন্দু কোয়ালিশন-জিবিএইচসি নামের একটি সংগঠন। তারা বাংলাদেশের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা আরোপে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে। গত সোমবার ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার টরন্টোভিত্তিক সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, বাংলাদেশে ১৯৫১ সালে মোট জনসংখ্যার ২২ শতাংশ হিন্দু থাকলেও ২০২২ সালের মধ্যে তা কমে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০৪৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা শূন্যের ঘরে নেমে আসতে পারে বলে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারাকাত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে ‘পদ্ধতিগত সহিংসতা, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ এবং বাস্তচ্যুতিকে’ দায়ী করেছে তারা। ১৮৪৭ সালে ভারত ভাগের পর পাঞ্জাবে জনসংখ্যা বিনিময় হয়েছিল, কিন্তু বাংলায় সেটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য এই অসমাপ্ত প্রক্রিয়াটি ফের পর্যালোচনার সময় এসেছে।”

সংগঠনটির দাবি, ৫ অগাস্টের পর গঠিত প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশে ৬৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট ছাড়াও জোর করে শ্মশান দখলের মতো ঘটনাও ঘটেছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সংগঠনের প্রতিনিধি অরুণ দত্ত দাবি করেন, ‘বিচারিক স্বাধীনতার অবক্ষয় এবং ভিন্নমতকে দমন করার জন্য ক্ষমতার পদ্ধতিগত অপব্যবহার সংখ্যালঘুদের আগের চেয়ে আরও বেশি দুর্বল করেছে।”

সংগঠনটির অন্যতম প্রতিনিধি সিতাংশু গুহ দাবি করেন, বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের টিকে থাকার অর্থ শুধু ঐহিত্য রক্ষাই নয়, এটি ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইও। জিবিএইচসি ভারত, ব্রিটেন এবং বিশ্ব সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা ৫টি দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো-

১. হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও উপজাতিদের সুরক্ষায় বাংলাদেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মোতায়েন, ২. হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় আলাদা সুরক্ষিত অঞ্চল তৈরি, ৩. ভূমিসহ জনসংখ্যা বিনিময় সম্পন্ন করা, ৪. জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে ভারত সবসময়ই বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। ঢাকার বর্তমান প্রতিকূল এবং জিহাদিপন্থী শাসনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত সরকারের কৌশল পুনর্বিবেচনা করা এবং গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধের সাথে মিল রেখে ভূমিকা রাখা এবং ৫. বাংলাদেশে বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপে জাতিসংঘ এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ভারতের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews