একতা ডেস্কঃ গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে যৌক্তিক সময় ও সার্বিক সহযোগিতা করা দেশের সব রাজনৈতিক দল ও জনগণের নৈতিক দায়িত্ব। গতকাল সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে গণফোরামের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনের লিখিত বক্তব্যে এ কথা বলা হয়। বক্তব্যটি পাঠ করেন গণফোরামের সভাপতি পরিষদের সদস্য সুব্রত চৌধুরী।
বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, বিগত বছরগুলোতে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠান সংস্কার করতে এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে ড. ইউনূসের সরকারকে যৌক্তিক সময় ও সার্বিক সহযোগিতা করতে হবে, যাতে তারা অভীষ্ট সংস্কার কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সক্ষম হন। তিনি বলেন, সময়ের প্রয়োজনে জন-আকাক্সক্ষা পূরণে সংবিধান সংশোধন কিংবা যুগোপযোগী করা রাষ্ট্রের জন্য চলমান প্রক্রিয়া। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের অর্জিত ও মীমাংসিত বিষয়গুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হলে তা আমাদের অগ্রসরমাণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বাধাগ্রস্ত করবে।
‘মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খিত একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণের চেতনা থেকে যেমন আমরা সরে আসতে পারি না, তেমনি ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বৈষম্যমুক্ত এক নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ও আকাক্সক্ষাও নস্যাৎ হতে দিতে পারি না।’ জনগণের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কামাল হোসেন বলেন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। বিভাজন হলেই শক্তি কমে যাবে।

Leave a Reply