1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

পরিবার বিচ্ছিন্ন বৃদ্ধা থাকা-খাওয়ার সুবিধা পেতে অপরাধ করে কারাগারে যান

  • সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১০৮ গননা করুন
প্রতীকী ছবি।
প্রতীকী ছবি।

একতা ডেস্কঃ আকিও নামের এক বৃদ্ধা নারী ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ করে কারাগারে জায়গা পেতে চেয়েছিলেন। কারণ সেখানে তিনি বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার সুবিধা নিতে পারবেন। তার পরিবারের সদস্যরা তাকে পরিত্যাগ করেছে।

৮১ বছর বয়সী সেই নারীকে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আকিয়ো হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমবার খাবার চুরি করেছিলেন যখন তার বয়স ৬০-এর কোটায় ছিল। পরে পেনশনের অর্থ দিয়ে জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়লে তিনি আবার একই কাজ করেন। তিনি দুইবার জেল খেটেছেন।

শেষ জীবনের এই নিঃসঙ্গতা যে কত বড় অভিশাপ হয়ে নেমে আসে, তা আরও একবার স্পষ্ট হল জাপানি বৃদ্ধা আকিওর অদ্ভূত কীর্তিতে। শুধু একাকিত্ব ঘোচাতে চেয়ে আর বাকি জীবনটা বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা পাকা করতে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। যাতে অন্তত জীবনের শেষ’ দিন পর্যন্ত তিনি কারাগারের বাসিন্দাদের। সঙ্গ পান, তাকে না খেয়ে একা একা মরতে না হয়। আপাতত অশীতিপর আকিওকে রাখা হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় কারাগার টোকিওর তোচিগি নারী কারাগারে।

আকিও বলেছেন, আমি একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং দোকান থেকে চুরি করেছি। ভেবেছিলাম এটি একটি সামান্য বিষয় হবে। যদি আমি আর্থিকভাবে স্থিতিশীল ও আরামদায়ক জীবন যাপন করতাম, তবে আমি এটি অবশ্যই করতাম না। এখানে অনেক ভালো মানুষ আছে। সম্ভবত এই জীবনটাই আমার জন্য সবচেয়ে স্থিতিশীল।

কারাবাসের আগে আকিও তার ৪৩ বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে থাকতেন, যিনি তাকে থাকতে দিতে চাচ্ছিলেন না এবং তাকে প্রায়ই বাড়ি ছাড়তে বলতেন। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি লজ্জা ও ছেলের সিদ্ধান্ত নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।

তিনি বলেন, আমি ভয় পাচ্ছি, সে আমাকে কিভাবে দেখবে। একা থাকা খুবই কঠিন, আর আমি লজ্জিত যে আমি এই পরিস্থিতিতে পড়েছি। আমি সত্যিই অনুভব করি, যদি আমার ইচ্ছাশক্তি আরো শক্তিশালী হতো, তবে আমি হয়তো আলাদা জীবন যাপন করতে পারতাম। কিন্তু এখন আমি এতটা বয়স্ক যে কিছু করতে পারি না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews