1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোন কর্তৃক বাঙালি ও পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ বিতরণ মহালছড়িতে নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্বোধন, জোনের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প ও ত্রাণ বিতরণ খাগড়াছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মহালছড়িতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে সরকারি প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ মহালছড়িতে আশিকার উদ্যোগে খাদ্য, হাইজিন, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ বিতরণ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ চক্রান্তের প্রতিবাদে এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন চত্ত্বরে প্রতিস্থাপনের দাবিতে আগামী ২৭ জুলাই সোমবার বিকেল ৪ টায় ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ নগরকান্দায় ইন্তেকাল করলেন ইউপি চেয়ারম্যান

পরিবার বিচ্ছিন্ন বৃদ্ধা থাকা-খাওয়ার সুবিধা পেতে অপরাধ করে কারাগারে যান

  • সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৩৭ গননা করুন
প্রতীকী ছবি।
প্রতীকী ছবি।

একতা ডেস্কঃ আকিও নামের এক বৃদ্ধা নারী ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ করে কারাগারে জায়গা পেতে চেয়েছিলেন। কারণ সেখানে তিনি বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার সুবিধা নিতে পারবেন। তার পরিবারের সদস্যরা তাকে পরিত্যাগ করেছে।

৮১ বছর বয়সী সেই নারীকে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আকিয়ো হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমবার খাবার চুরি করেছিলেন যখন তার বয়স ৬০-এর কোটায় ছিল। পরে পেনশনের অর্থ দিয়ে জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়লে তিনি আবার একই কাজ করেন। তিনি দুইবার জেল খেটেছেন।

শেষ জীবনের এই নিঃসঙ্গতা যে কত বড় অভিশাপ হয়ে নেমে আসে, তা আরও একবার স্পষ্ট হল জাপানি বৃদ্ধা আকিওর অদ্ভূত কীর্তিতে। শুধু একাকিত্ব ঘোচাতে চেয়ে আর বাকি জীবনটা বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা পাকা করতে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। যাতে অন্তত জীবনের শেষ’ দিন পর্যন্ত তিনি কারাগারের বাসিন্দাদের। সঙ্গ পান, তাকে না খেয়ে একা একা মরতে না হয়। আপাতত অশীতিপর আকিওকে রাখা হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় কারাগার টোকিওর তোচিগি নারী কারাগারে।

আকিও বলেছেন, আমি একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং দোকান থেকে চুরি করেছি। ভেবেছিলাম এটি একটি সামান্য বিষয় হবে। যদি আমি আর্থিকভাবে স্থিতিশীল ও আরামদায়ক জীবন যাপন করতাম, তবে আমি এটি অবশ্যই করতাম না। এখানে অনেক ভালো মানুষ আছে। সম্ভবত এই জীবনটাই আমার জন্য সবচেয়ে স্থিতিশীল।

কারাবাসের আগে আকিও তার ৪৩ বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে থাকতেন, যিনি তাকে থাকতে দিতে চাচ্ছিলেন না এবং তাকে প্রায়ই বাড়ি ছাড়তে বলতেন। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি লজ্জা ও ছেলের সিদ্ধান্ত নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।

তিনি বলেন, আমি ভয় পাচ্ছি, সে আমাকে কিভাবে দেখবে। একা থাকা খুবই কঠিন, আর আমি লজ্জিত যে আমি এই পরিস্থিতিতে পড়েছি। আমি সত্যিই অনুভব করি, যদি আমার ইচ্ছাশক্তি আরো শক্তিশালী হতো, তবে আমি হয়তো আলাদা জীবন যাপন করতে পারতাম। কিন্তু এখন আমি এতটা বয়স্ক যে কিছু করতে পারি না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews