1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দার সেনা সদস্য তিতাস শেখ মারা গেলেন টেকনাফে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মহালছড়িতে সিপাহি বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় চার নেতার নামে থাকা জাহাজের নাম পরিবর্তন মহালছড়ির ২টি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে আর্থিক অনুদান ও গাছের চারা উপহার প্রদান করেছেন মহালছড়ি জোন অধিনায়ক মহালছড়ি ধুমনীঘাটে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করল মহালছড়ি সেনা জোন মহালছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা-২০২৬-২৭ (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে চোংড়াছড়ি শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাবুল কাদের উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন জোন অধিনায়ক সংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জানা গেল এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের তারিখ

পরিবার বিচ্ছিন্ন বৃদ্ধা থাকা-খাওয়ার সুবিধা পেতে অপরাধ করে কারাগারে যান

  • সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৯৯ গননা করুন
প্রতীকী ছবি।
প্রতীকী ছবি।

একতা ডেস্কঃ আকিও নামের এক বৃদ্ধা নারী ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ করে কারাগারে জায়গা পেতে চেয়েছিলেন। কারণ সেখানে তিনি বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার সুবিধা নিতে পারবেন। তার পরিবারের সদস্যরা তাকে পরিত্যাগ করেছে।

৮১ বছর বয়সী সেই নারীকে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আকিয়ো হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমবার খাবার চুরি করেছিলেন যখন তার বয়স ৬০-এর কোটায় ছিল। পরে পেনশনের অর্থ দিয়ে জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়লে তিনি আবার একই কাজ করেন। তিনি দুইবার জেল খেটেছেন।

শেষ জীবনের এই নিঃসঙ্গতা যে কত বড় অভিশাপ হয়ে নেমে আসে, তা আরও একবার স্পষ্ট হল জাপানি বৃদ্ধা আকিওর অদ্ভূত কীর্তিতে। শুধু একাকিত্ব ঘোচাতে চেয়ে আর বাকি জীবনটা বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা পাকা করতে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। যাতে অন্তত জীবনের শেষ’ দিন পর্যন্ত তিনি কারাগারের বাসিন্দাদের। সঙ্গ পান, তাকে না খেয়ে একা একা মরতে না হয়। আপাতত অশীতিপর আকিওকে রাখা হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় কারাগার টোকিওর তোচিগি নারী কারাগারে।

আকিও বলেছেন, আমি একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং দোকান থেকে চুরি করেছি। ভেবেছিলাম এটি একটি সামান্য বিষয় হবে। যদি আমি আর্থিকভাবে স্থিতিশীল ও আরামদায়ক জীবন যাপন করতাম, তবে আমি এটি অবশ্যই করতাম না। এখানে অনেক ভালো মানুষ আছে। সম্ভবত এই জীবনটাই আমার জন্য সবচেয়ে স্থিতিশীল।

কারাবাসের আগে আকিও তার ৪৩ বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে থাকতেন, যিনি তাকে থাকতে দিতে চাচ্ছিলেন না এবং তাকে প্রায়ই বাড়ি ছাড়তে বলতেন। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি লজ্জা ও ছেলের সিদ্ধান্ত নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।

তিনি বলেন, আমি ভয় পাচ্ছি, সে আমাকে কিভাবে দেখবে। একা থাকা খুবই কঠিন, আর আমি লজ্জিত যে আমি এই পরিস্থিতিতে পড়েছি। আমি সত্যিই অনুভব করি, যদি আমার ইচ্ছাশক্তি আরো শক্তিশালী হতো, তবে আমি হয়তো আলাদা জীবন যাপন করতে পারতাম। কিন্তু এখন আমি এতটা বয়স্ক যে কিছু করতে পারি না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews