একতা ডেস্কঃ বাংলাদেশ সীমান্তে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি নাইট ভিশন ক্যামেরা মুভমেন্টের ডিটেক্টরসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নজরদারি বাড়িয়েছে ভারত। নতুন করে বাংলাদেশের সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই দেশটির এমন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সারাবিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ফেলানি হত্যার নির্মমতার পরও সীমান্তে নির্বিচারে বাংলাদেশি মানুষ হত্যা ভারতীয় চরিত্রের দীর্ঘদিনের অংশ যা প্রতিনিয়ত উদ্বেগের মধ্যে রাখছে বাংলাদেশকে। নতুন করে শূন্যরেখার ৫০ গজের মধ্যে ভারতের কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে দেখা দিয়েছে উত্তেজনা। পারস্পরিক আলোচনা ছাড়াই ভারতের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পেছনে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখার কথা বলছেন আইন আইনজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন দুই দেশ ভাগ করা হয়, তখন ওই সীমান্তেই মানুষ বসবাস করছিল। এখনো যদি আপনি সীমান্তের মধ্যে যান তাহলে দেখতে পাবেন, সীমান্তের দুইপাশেই একটা করে পরিবারের বসবাস রয়েছে। সে হিসাবে তাঁরা মনে করেন, সেই দেশে এধরণের কাজকে তাঁরা বলছেন অমানবিক। বর্ডার টেনশন থাকতে পারে কিন্তু তাই বলে আপনি এমন কিছু করতে পারবেন না যা যেখানে অন্য কোন একটা সার্বভৌম দেশের বর্ডার জড়িত। একটা এগ্রিমেন্ট বা আলোচনার ভিত্তিতে এর সমাধান হতে হবে।
বেশ কিছুদিন ধরে নিরাপত্তার কথা বলে সীমান্তে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে নাইট ভিশন ক্যামেরা, মুভমেন্ট ডিটেক্টর, এবং ইমপ্রুভাইজড অ্যালোন সিস্টেম। আইনজীবীরা বলছেন এক্ষেত্রে নিজেদের প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আইনের সহায়তা চাইতে পারে বাংলাদেশ।

Leave a Reply