1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত শালিখা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম মুন্সি শহিদুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ মধুমতীর বুকে বৈঠার লড়াই, দুই পাড়ে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শালিখায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন! যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত মহালছড়ির দুই কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়! পাসের হার ১৬.৬১ ও ৪.৩৫ শতাংশ লংগদুতে আসন্ন শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান শালিখায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল রাড়িখালি একাদশ

আরেক দফা বেড়েছে চাল ও মুরগির দাম

  • শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫
  • ১৭০ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ আরেক দফা বেড়ে গেছে চালের দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট চাল কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে খুচরায় মানভেদে বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮৬ থেকে ৯৬ টাকায়। বিআর আটাশ জাতের চাল কেজিতে ২ থেকে তিন টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৬ থেকে ৬৮ টাকায়। খুচরা বাজারে সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মোজাম্মেল ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল, কেজি ৯৬ টাকা। এছাড়া দাদা ও মনজুর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৮৬ টাকায়। খুচরা ব্যবসায়ীরা মিলারদের বরাত দিয়ে বলছেন, যে ধান থেকে মিনিকেট চাল উৎপাদন হয়, সেই ধানের মজুদ শেষের দিকে, তাই মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে। মিনিকেটের প্রভাবে মাঝারি মানের বিআর আটাশের দামও বেড়েছে। আর স্বর্ণা জাতের মোটা চাল আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে, কেজি ৫৬ টাকায়।

দরদামের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানী কারওয়ান বাজারের চাল বিক্রেতা মুনসুর আহমেদ সংবাদকে বলেন, ‘এইটা বইলাও লাভ নাই, আর শুইনাও লাভ নাই। মিনিকেট চাল কেজি ১০০ টাকা যাইবো। মিলাররা বলে ধান নাই। তাহলে ধান গেচে কৈ?’ আপনি কত দরে বিক্রি করছেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনজুরের চাল আছে, বিক্রি করছি ৮৬ টাকা। আর মোজাম্মেল (ব্র্যান্ডের মিনিকেট) আনছেই কেজি ৯৪ টাকা।’

এবার রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচা বাজারে কথা হয় বেসরকারি চাকরিজীবী ধলা মিয়ার সঙ্গে। সংবাদকে তিনি বলেন, ‘কী কমু, বাজারে যে টাকা নিয়া আসি, যাওয়ার সময় ভাড়ার টাকাটাই থাকে না। সব বাড়ছে। কমতির কোনো কথা নাই। বাংলাদেশটা ইয়া নাফসি ইয়া নাফসির ওপর আছে। যে যার কাছে যে ভাবে পারছে, (পণ্যের দাম) নিচ্ছে,’ বলেও জানান তিনি।

ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি জাতের মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। বাজারভেদে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ২১০ থেকে ২২০ টাকা, সোনালি জাতের মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা আর দেশি মুরগি ৬৬০ থেকে ৬৮০ টাকায়। এখনও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায়। এ ছাড়া ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকা আর খাসির মাংস ১২০০ টাকায়। বেশকিছু সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপর। এরমধ্যে বাজারভেদে লম্বা বেগুন কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, গোলাপি রঙের গোল বেগুন ১২০ টাকা, ঝিঙ্গা ১২০ টাকা, বরবটি ১০০ থেকে ১১০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটোল ৮০ থেকে ১০০ আর সাজনা বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। বড় আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।

শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজারঘুরে এবং বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া যায়। চাল-মুরগির দাম বাড়ায় ক্রেতাদের অস্বস্তি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews