1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় সিএনআরএস-এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত খাগড়াছড়ি রিজিয়ন এবং লংগদু জোনের উদ্যোগে ক্যান্সার আক্রান্ত রিয়েল চাকমার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান মহালছড়িতে হাসপাতালের অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে নানা সচেতনতা কর্মশালার মধ্যে দিয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত লংগদু থেকে বিনামূল্যে চক্ষু অপারেশনের জন্য রোগীদের চট্টগ্রামে প্রেরণ নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বোরহান আনিস এর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় স্কুল কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড যারা নস্যাৎ করতে চায়, জনগণই তাদেরকে প্রতিহত করবে শালিখায় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সাথে নয়নুজ্জামান মুন্সীর মতবিনিময় সভা

আরেক দফা বেড়েছে চাল ও মুরগির দাম

  • শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫
  • ১৫১ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ আরেক দফা বেড়ে গেছে চালের দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট চাল কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে খুচরায় মানভেদে বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮৬ থেকে ৯৬ টাকায়। বিআর আটাশ জাতের চাল কেজিতে ২ থেকে তিন টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৬ থেকে ৬৮ টাকায়। খুচরা বাজারে সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মোজাম্মেল ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল, কেজি ৯৬ টাকা। এছাড়া দাদা ও মনজুর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৮৬ টাকায়। খুচরা ব্যবসায়ীরা মিলারদের বরাত দিয়ে বলছেন, যে ধান থেকে মিনিকেট চাল উৎপাদন হয়, সেই ধানের মজুদ শেষের দিকে, তাই মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে। মিনিকেটের প্রভাবে মাঝারি মানের বিআর আটাশের দামও বেড়েছে। আর স্বর্ণা জাতের মোটা চাল আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে, কেজি ৫৬ টাকায়।

দরদামের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানী কারওয়ান বাজারের চাল বিক্রেতা মুনসুর আহমেদ সংবাদকে বলেন, ‘এইটা বইলাও লাভ নাই, আর শুইনাও লাভ নাই। মিনিকেট চাল কেজি ১০০ টাকা যাইবো। মিলাররা বলে ধান নাই। তাহলে ধান গেচে কৈ?’ আপনি কত দরে বিক্রি করছেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনজুরের চাল আছে, বিক্রি করছি ৮৬ টাকা। আর মোজাম্মেল (ব্র্যান্ডের মিনিকেট) আনছেই কেজি ৯৪ টাকা।’

এবার রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচা বাজারে কথা হয় বেসরকারি চাকরিজীবী ধলা মিয়ার সঙ্গে। সংবাদকে তিনি বলেন, ‘কী কমু, বাজারে যে টাকা নিয়া আসি, যাওয়ার সময় ভাড়ার টাকাটাই থাকে না। সব বাড়ছে। কমতির কোনো কথা নাই। বাংলাদেশটা ইয়া নাফসি ইয়া নাফসির ওপর আছে। যে যার কাছে যে ভাবে পারছে, (পণ্যের দাম) নিচ্ছে,’ বলেও জানান তিনি।

ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি জাতের মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। বাজারভেদে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ২১০ থেকে ২২০ টাকা, সোনালি জাতের মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা আর দেশি মুরগি ৬৬০ থেকে ৬৮০ টাকায়। এখনও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায়। এ ছাড়া ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকা আর খাসির মাংস ১২০০ টাকায়। বেশকিছু সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপর। এরমধ্যে বাজারভেদে লম্বা বেগুন কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, গোলাপি রঙের গোল বেগুন ১২০ টাকা, ঝিঙ্গা ১২০ টাকা, বরবটি ১০০ থেকে ১১০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটোল ৮০ থেকে ১০০ আর সাজনা বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। বড় আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।

শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজারঘুরে এবং বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া যায়। চাল-মুরগির দাম বাড়ায় ক্রেতাদের অস্বস্তি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews