একতা ডেস্কঃ নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের করা একাধিক সুপারিশের ভিন্নমত জানিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে চিঠি পাঠিয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে বিভিন্ন প্রস্তাবনাও দিয়েছে তারা। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ। ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ স্যারকে চিঠি দিয়েছি। চিঠিতে মতামত দেওয়ার কারণ হচ্ছে- ইসির ক্ষমতা খর্ব হয়েছে। খর্ব না হলে তো পাঠাতাম না। কমিশনের ভিন্নমত প্রকাশ করার সুযোগ আছে, সেখানে মতামত দিয়েছি।’
আখতার আহমেদ বলেন, এনআইডি কার্ডের বিষয়ে আমাদের অভিমত হলো, এনআইডি আমাদের এখানে থাকা বাঞ্ছনীয়। কেননা, ২০০৭ সাল থেকে আমাদের অভিজ্ঞতা এবং স্কিলড করা হয়েছে। তাহলে এটা কেন নেওয়া হবে? বরং এটাকে আরও কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, কলেবরটা কী করে বহুমুখী করা যায়, সেটা করতে হবে। আমরা এখন ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানকে সেবা দিচ্ছি, সার্ভিসের উপযোগিতা আছে বলেই তো দেওয়া হচ্ছে। ভোটার ও নির্বাচনী আসন নিয়ে তিনি বলেন, গ্রাম শূন্য হয়ে মানুষ বিদেশে যাচ্ছেন, শহরে আসছেন। এ জন্য শহরমুখী হয়ে যাচ্ছে আসন সংখ্যা। এটা না করে জনসংখ্যা, ভৌগোলিক অবস্থান, আঞ্চলিক অখণ্ডতা বিবেচনায় আসন করা উচিত।
ইসি সচিব বলেন, ‘৪৮ ঘণ্টার ভেতরে সার্টিফাই করার কথা বলা হয়েছে। আমরা মনে করি এটার দরকার নেই। নির্বাচন সম্পর্কে রিটার্নিং অফিসার সন্তুষ্ট না হয়ে তো ফল দিচ্ছেন না। এটা গেজেট হচ্ছে, এটাই সার্টিফিকেশন। এমন কোনো ম্যাকানিজম কি আছে যে আমরা সার্টিফিকেশন দেব, কী করব? ম্যাকানিজম কী হবে, সেটা তো আবার আরেকটা দিকে যাবে। আখতার আহমেদ বলেন, ‘ইসির দায়বদ্ধতা ও কমিশনের শাস্তির বিষয়ে বলা হয়, ইসির শাস্তির ব্যবস্থা তো আছেই। শর্ত ভঙ্গ করলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বা অন্যান্য… আইন পরিবর্তনে এটা কতটুকু বাস্তবসম্মত। অ্যাকাডেমিক দিক থেকে বিষয়টা যদি বলি- চাকরি শেষ হওয়ার পাঁচ বছর পর আপনি বললেন আমি ওই নির্বাচনে শর্ত ভঙ্গ করেছি। তাহলে পাঁচ বছর পর আজ কোর্টে দৌড়াতে হবে এটার জেরে ঘানি টানার জন্য।

Leave a Reply