1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দায় দুই ব্যবসায়ীকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত শালিখা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম মুন্সি শহিদুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ মধুমতীর বুকে বৈঠার লড়াই, দুই পাড়ে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শালিখায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন! যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত মহালছড়ির দুই কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়! পাসের হার ১৬.৬১ ও ৪.৩৫ শতাংশ লংগদুতে আসন্ন শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান

ওপার বাংলার কবি, সম্পাদক মৌসুমী ডিংগালের কবিতা নিয়ে আজকের আয়োজন

  • বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫
  • ৩৫৮ গননা করুন
কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক মৌসুমী ডিংগাল।

কবি পরিচিতিঃ কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক মৌসুমী ডিংগালের জন্ম ১৯৮৩ সালের ৩ নভেম্বর। ভারতের পশ্চিম বঙ্গের সুন্দরবন অঞ্চলের গোসাবা থানার অন্তর্গত মন্মথনগর গ্রামে তার জন্ম। বাংলায় এম এ বি এড ডিগ্রি লাভ করে বর্তমানে তিনি শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন। পাশাপাশি সাহিত্য চর্চাকে নেশা এবং পাথেয় হিসেবে গ্রহন করেছেন তিনি। বর্তমানে দঃ কলকাতার গড়িয়া অঞ্চলে বাসিন্দা তিনি। শিক্ষকতার পাশাপাশি সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ থেকেই বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। সেই সঙ্গে “পথের দাবী সাহিত্য পত্রিকা” সম্পাদনা করেন। কবির প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ “ভাবনারা কথা কয়” দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ “ভাবনার আঁকিবুকি” তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ: “ছড়ার ফেরিওয়ালা” চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ “ছোট্ট মনের খিদে” পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ “এক মুঠো প্রেম”। সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা – (২০)।

কবিতার আয়োজনঃ

১ নং কবিতা

ক্লান্ত পথিক

 

আমি যেন এক ক্লান্ত পথিক

সেই কবে থেকে হাঁটছি পথে পথে

আমি ছিলাম সেই আদিম যুগে

যখন মানুষ থাকত গাছের তলায়!

আমি দেখেছি মানুষের প্রথম শিকার করা

আমি দেখেছি মানুষের প্রথম আগুন জ্বালানো

আমি দেখেছি মানুষের প্রথম ঘর বানানো

আমি ছিলাম সেই হরপ্পার যুগেও।

আমি দেখেছি নগর সভ্যতার পত্তন

আমি ছিলাম সীতার সময়েও

দেখেছিলাম সীতার পাতাল প্রবেশ

আমি ছিলাম মহাভারতের সময়েও

দূর থেকে দেখেছিলাম দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণ

আমি রাধা কৃষ্ণের প্রেম লীলারও সাক্ষী

আমি দেখেছি রাধার বিরহ দহন।

আমি দেখেছি ব্রিটিশের আস্ফালন

দেখেছি ভারতবাসীর গর্জে ওঠা

আমি দেখেছি অহংকারীর হয়েছে একদিন পতন

আমি আজো দাঁড়িয়ে আছি সেই পথে!

আজো দেখি মানুষের মুখ আর মুখোশ

আমি আজো হেঁটে চলেছি পথে পথেই

ক্লান্তি আমাকে ক্ষমা করেনি বলে…..

 

২ নং কবিতা

জীবন চিনতে জীবন শেষ

 

যখন বিপদে পড়ে কাউকেই পাশে না পাই

একা একা উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি

তখন মন বলে এটাই তো জীবন।

যখন লোকের ভালো দেখে অন্যকে হিংসা করতে দেখি

দেখি কীভাবে তাকে নিচে নামানো যায় তার জন্য ষড়যন্ত্র

করতে দেখি তখন মন বলে এটাই জীবন।

যখন দেখি চেনা মানুষ শুধু স্বার্থের জন্য দূরে সরে যায়

ভুলে যায় সকল অতীত অবাক হই

আর তখনো মন বলে এটাই জীবন।

আবার যখন হঠাৎ করে কোন স্বপ্ন পূরণ হয়ে যায়

ফ্যাকাসে মুখে ফুটে ওঠে হাসি

মন বলে এটাই জীবন।

যখন জীবনটা একেবারে সমস্যায় ভাজা হয়ে যায়

মনে হয় বেঁচে থেকে কোন লাভ নেই

যখন সময় থমকে দাঁড়িয়ে যায়

মনে হয় জীবন নদীতে নোঙর পড়ে গেছে

আর এ নৌকা এগোবে না

তখন দেখি একটা না একটা আশার আলো

নতুন দরজা খুলে দেয় মন বলে এটাই জীবন।

এভাবেই সেই কবে থেকে জীবন চিনছি

আজ ষাট বছর বয়সেও সে চেনার শেষ হলো না

আসলে জীবন চিনতে গিয়ে পুরো জীবনটাই শেষ।

 

৩ নং কবিতা

ব্যস্ত সময়

 

দিনগুলো সব হারিয়ে গেল

কেমন করে জানি

মাথার উপর মস্ত আকাশ

এখন একটুখানি।

ব্যস্ততায় মাথা গুঁজি

মাইনে পেলে তৃপ্তি

ই এ মাই এ কাটছে জীবন

মুখে নেই দীপ্তি।

সকাল থেকে ছুটছি কেবল

ভাবনা বড়ই কম

মানুষ যেন যন্ত্রঘড়ি

কেউ দিয়েছে দম!

ডাকছে দূরে খেলার মাঠ

ডাকছে গাছের পাখি

ডাকছে কাছে সবুজ মাঠ

দেয়নি এখনো ফাঁকি।

সাড়া দেয়ার নেই যে সময়

ল্যাপটপ এ চোখ রাখি

ঘাড়ের উপর কাজের বোঝা

মাথা গুঁজে থাকি।

হঠাৎ দেখি জানালা দিয়ে

পলাশ ফুলের লাল

ও পলাশ তুই যাসনে ঝরে

দেখব তোকে কাল।

 

৪ নং কবিতা

বাঁধন হারা

 

চারিদিকে নিষেধ-বাঁধন

এক্কেবারে খাঁচা

তার মাঝে আনন্দেতে

যায় কি বলো বাঁচা?

হারিয়ে যেতে চায় যে মন

পাহাড়-নদী দূরে

গেয়ে উঠি সেই চেনা গান

আলতো রোদ্দুরে!

আড্ডা জমাই হিসেব ভুলে

কী পাবো কী নাই

ফুরিয়ে গেলে জীবনটা ভাই

একমুঠো সেই ছাই!

মিছেই শুধু হিসেব নিকেষ

সবটাই যে ফাঁকি

তার চেয়ে চল সহজ ভাবেই

জীবনটাকে আঁকি।

খাঁচাতে কি আর জীবন কাটে

বাঁচা ভালো যায়রে?

তার চেয়ে চল পথেই হাঁটি

বিধি নিষেধ নাইরে।

 

৫ নং কবিতা

শক্তি যোগাও

 

কেন জানি না মিছিলটা থেমে গেল

থেমে গেল মাঝ পথে

কেউ কি ভয় দেখিয়েছে ওদের

কেউ কি ভয় দেখিয়েছে মধ্য রাতে

কেউ কি রাতের অন্ধকারে কপালে বন্দুক রেখেছিল!

বলেছিল, মিছিল থামাও….

যদি না থামে

মুহূর্তেই গুলি বের হবে বন্দুক থেকে

জলজ্যান্ত মানুষটা মুহূর্তেই পরিণত হবে লাশে!

ঘরের বউটা বিধবা হবে

পিতৃহারা হবে দুধের শিশুরা

মায়ের সাদা থানে লাগবে রক্তের দাগ!

তাই কি মিছিল থেমে গেল

তাই কি থেমে গেল মাঝপথে

ওদের কেউ শক্তি যোগাও

মিছিলটা যাতে থেমে না থাকে

বন্দুকের নলের কানে যেন মিছিলের আওয়াজ পৌঁছায়

কেউ ওদের শক্তি যোগাও।

সমাপ্ত

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews