একতা ডেস্কঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারের বিষয়ে ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত করছে। তদন্তের প্রথমেই রয়েছে গণ অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। তদন্ত তালিকার দুই নম্বরে রয়েছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। অভিযুক্তদের অর্থ দ্রুত ফেরত আনার লক্ষ্যে একটি বিশেষ আইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ আইনটি জারি করা হবে। গতকাল ১০ মার্চ, সোমবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাচার অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে টাস্কফোর্সের সভায় এসব তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি বিশেষ আইন করার সিদ্ধান্ত হয়।
১১টি গ্রুপের মধ্যে ২ নম্বরে রয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। যৌথ তদন্ত দলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তার বিষয়ে জালিয়াতি, প্রতারণা, কর ফাঁকি ও অন্যান্য অভিযোগে এনবিআরের ১১টি মামলা তদন্ত হচ্ছে। আদালত কর্তৃক ২০ কোটি টাকা মূল্যের ৪টি সম্পদ সংযুক্ত করা হয়েছে। দুটি ফ্ল্যাট এবং ৩১ হাজার ৫৯৪ দশমিক ৩৯ ডেসিমেল সম্পত্তি সংযুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনের বিপরীতে আদালত ২৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করেছেন যেখানে স্থিতি ছিল ৫ দশমিক ২৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া তার বিও অ্যাকাউন্টে ১০২ দশমিক ৮৫ কোটি টাকার শেয়ার ছিল। দেশের বাইরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ২২৮টি, যুক্তরাষ্ট্রে ৭টি এবং যুক্তরাজ্যে ৩৪৩টি সম্পত্তির সংযুক্তির আবেদন করা হযেছে।

Leave a Reply