1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগাতে চাই: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী শালিখায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‍্যালি ও ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসসহ বিভিন্ন কর্মসূচীতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অংশগ্রহণ শালিখায় ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য সার্বভৌমত্ব র‍্যালি মহালছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে আর পথ হারাবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আজ ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস নগরকান্দার সেনা সদস্য তিতাস শেখ মারা গেলেন টেকনাফে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মহালছড়িতে সিপাহি বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন আদালতে হাজির হননি

  • বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৯১ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ সাম্প্রতিক সময়ে অভিশংসনের মুখে পড়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইয়োল। সামরিক আইনের সংক্ষিপ্ত ঘোষণার পর তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠে আসে। এর মধ্যেই তাকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজির হননি, যা রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলেছে।

গত ডিসেম্বরের ৪ তারিখে প্রেসিডেন্ট ইউন সামরিক আইন জারি করেন। তার দাবি ছিল, এটি ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি’ নিয়ন্ত্রণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ। তবে তার এই পদক্ষেপ দক্ষিণ কোরিয়াকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে ফেলেছে। ডিসেম্বর ১৪ তারিখে জাতীয় পরিষদে ২০৪-৮৫ ভোটে তার অভিশংসনের প্রস্তাব পাশ হয়। আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের বৈধতা যাচাই চলছে।

প্রেসিডেন্ট ইউনকে ২০ এবং ১৫ ডিসেম্বর কোরাপশন ইনভেস্টিগেশন অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি দুবারই হাজির না হওয়ায় তদন্ত বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের বৈধতা নিয়ে কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত সিদ্ধান্ত নেবে। প্রথম শুনানি ২৭ ডিসেম্বর নির্ধারিত হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। যদি আদালত অভিশংসনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে, তবে দুই মাসের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার পদক্ষেপকে বৈধ বলে দাবি করেছেন এবং বলেছেন, তিনি এই অভিযোগের বিরুদ্ধে ন্যায্য লড়াই চালাবেন। তবে এই ঘটনাগুলি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা দেশের গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক কাঠামোকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews