বিলায়েত হোসেন লিটন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথায় উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা অর্পণ করছে পূজারীরা।
এবছর নগরকান্দায় ৬৩ ও সালথা উপজেলায় ৪৬ টি পূজা মন্দিরে পূজা অর্পণ করতেছে অত্র এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচাইতে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান হচ্ছে শ্রী শ্রী স্বারদীয় দূর্গাপূজা।এ পূজা উপলক্ষে মন্দির সাজানো হয়েছে আলোকসজ্জায়, মন্দিরের আশে পাশে বসেছে গ্রাম্যমেলা বা পূজার মেলা। এতে শোভা পাচ্ছে কসমেটিক, শিশুদের খেলনা, মিষ্টির দোকান, মাটির তৈরি খেলনা, খাবার হোটেল, খৈ, মুড়ি, চিড়ার দোকানসহ অন্যান্ন দোকান।
নগরকান্দা সদর বাজারের মিষ্টি ব্যবসায়ী মহাদেব কুমার সাহা বলেন, পূজা উপলক্ষে পুরোনো মিষ্টি নতুন পদ্ধতিতে উন্নতমানের আমিত্তি, দানাদার, স্বন্দেশ, গজা, বাতাসা, কদমাসহ আরো অনেক আইটেমের মিষ্টি তৈরী করছি, বিক্রিও হচ্ছে ভালোই।
উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও নগরকান্দা বাজার পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি ডাঃ রনদা প্রসাদ সরকার (সুধীর) বলেন, এবছর দেবী দূর্গা ঘোড়ায় চড়ে আসবে এবং নৌকায় গমন করবে, শুক্রবার ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে পূজা শুরু হয়েছে এবং তিথিনুযায়ী বুধবার বিসর্জন করা হবে দেবী দূর্গাকে।
দুপুর থেকে সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বিসর্জন দেওয়ার জন্য কতৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছেন।
নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন বলেন, সকল মন্দিরে নিয়মিত ভাবে পরিদর্শন করছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। এছাড়া সার্বক্ষনিক খোঁজখবর নেওয়ার জন্য সদরে কন্ট্রোলরুম চালু করা হয়েছে।
সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দবির উদ্দিন বলেন, সরকারী সকল নিয়মকানুন রক্ষা করেই প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রতিটি মন্দির পরিদর্শন করছে এবং মন্দির কমিটির সকলের সাথে যোগাযোগ রাখছে, খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম।
নগরকান্দা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, প্রতিটি মন্দিরে নেওয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা। গ্রামপুলিশ, আনসার ও পুলিশ বাহিনী রয়েছে প্রতিটি মন্দিরে।
Leave a Reply