1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শালিখায় সিএনআরএস-এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত খাগড়াছড়ি রিজিয়ন এবং লংগদু জোনের উদ্যোগে ক্যান্সার আক্রান্ত রিয়েল চাকমার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান মহালছড়িতে হাসপাতালের অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে নানা সচেতনতা কর্মশালার মধ্যে দিয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত লংগদু থেকে বিনামূল্যে চক্ষু অপারেশনের জন্য রোগীদের চট্টগ্রামে প্রেরণ নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বোরহান আনিস এর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় স্কুল কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড যারা নস্যাৎ করতে চায়, জনগণই তাদেরকে প্রতিহত করবে শালিখায় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সাথে নয়নুজ্জামান মুন্সীর মতবিনিময় সভা

নৌকায় রশি টেনে নদী পারাপার

  • মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৫০ গননা করুন
প্রতীকী ছবি।

একতা ডেস্কঃ রশি টেনেই নদী পারাপারের কাজ চলছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় দাঁড়িয়ে রশি টেনে নদী পারাপার হতে হয় ১৮ গ্রামের মানুষকে। কমলমতি শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষের যেন ভোগান্তির শেষ নেই। একটি সেতুর অভাবে যুগের পর যুগ রশি টানা একটি মাত্র নৌকায় চলছে নড়াইল সদর উপজেলার ৩ ইউনিয়নের বাসিন্দাদের পারাপার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে মুলিয়া বাজার। এ বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কাজলা নদী। প্রতিদিন এই নদী পার হয়ে আসা-যাওয়া করতে হয় স্থানীয়দের। তবে দীর্ঘ দিনেও এখানে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। ঘাটের একটি মাত্র নৌকা দিয়ে এপার-ওপার রশি বেঁধে পার হতে হয় নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সকল বয়সী মানুষের। রশি টানা এই নৌকায় বছরের পর বছর কষ্ট করে নদী পার হচ্ছে মুলিয়াসহ পার্শ্ববর্তী ৩ ইউনিয়নের ১৮ গ্রামের মানুষ।

ভোট আসলেই জনপ্রতিনিধিরা নদীতে সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য সরবরাহ, রোগী আনা নেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন স্থানীয়রা।

পানতিতা গ্রামের সুব্রত সিকদার বলেন, ১২ বছর ধরে শুনছি এখানে একটি সেতু হবে। সেতু আর হয় না ভোগান্তিও কমে না। এমপি অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। টেন্ডার করে শুনলাম ব্রিজ হয়ে যাবে। ব্রিজের খবর নেই। আমাদের যে কষ্ট আসলে সেই কষ্ট রয়ে গেল। মুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিহির রঞ্জন বিশ্বাস বলেন, বর্ষায় যখন ঝড় বৃষ্টি হয়, তখন অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের নদী পারাপার নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকে। রশি টানা এই নৌকা পারাপারে বিশেষ করে স্কুলের যে শিশুদের যাতায়াতে অনেক কষ্ট ভোগ করতে হয়।

মুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বলেন, আমাদের প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ বার খেয়া পার হতে হয়। এই জন্য আমাদের অনেক সমস্যা হয়। খেয়া যদি ওই পারে থাকে তাহলে পড়তে যেতে আধাঘণ্টা দেরি হয়ে যায়। সেই জন্য আমাদের একটা ব্রিজ দরকার। আর বর্ষাকালে খেয়া ঘাট পিচ্ছিল হয়ে যায়। আমাদের পারাপারে অনেক কষ্ট হয়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews