একতা ডেস্কঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়ে কঠোর প্রশ্ন তুলে বলেন, “আওয়ামী লীগের কোনো নেতা বা আওয়ামী লীগপন্থি কোনো সাংবাদিককে কি কখনো ‘সরি’ বলতে দেখেছেন? অনুশোচনা করতে দেখেছেন?
তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের সবাই যদি গণহত্যার জন্য দায়ী না হন, তবে নিরপরাধরা কেন কখনো প্রকাশ্যে বলেননি যে, যারা গণহত্যার সঙ্গে জড়িত, আমরা তাদের নিন্দা করছি? তাদের কারণেই দলের আজ এই অবস্থা? তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সবাই যেন একসুরে কথা বলছেন। এমনকি “যাঁরা গণহত্যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, তাঁরাও দলের নেত্রীকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। অথচ এই নেত্রী একজন খুনি, চোর এবং গুমের নায়ক। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, “শেখ হাসিনার সরাসরি আদেশেই গুম ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
শফিকুল আলমের মতে, “আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তি কীভাবে সম্ভব? তারা কি ক্ষমা চেয়েছে? অনুতপ্ত হয়েছে? যদি না হয়, তাহলে তাদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন কীভাবে সম্ভব? এটা ভয়ানক এক বাস্তবতা।” তিনি জার্মানির নাৎসি পার্টির উদাহরণ টেনে বলেন, “যদি ১৯৪৫ সালে জার্মানিতে মতামত জরিপ করা হতো, তাহলে দেখা যেত ৩০% মানুষ নাৎসিদের সমর্থন করছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি মনে করেন, যতক্ষণ না দোষীদের বিচার হয়, ততক্ষণ “আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ অসম্ভব।” তাঁর মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপের মাধ্যমে এই ইস্যুর সমাধান করা উচিত, তবে ক্ষমা চাওয়া এবং দায় স্বীকার না করা পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা কঠিন।

Leave a Reply