একতা ডেস্কঃ বিদ্যুৎ ও জ্বালানী উপদেষ্টা ফাউজুল কোভিদ খান বলেন, এখন থেকে বিনা টেন্ডারে এ খাতে কোন ব্যবসা চলবে না।
জ্বালানী ও বিদ্যুৎ খাতে এতদিন ধরে টেন্ডার বিহিন কাজের যে প্রতিযোগিতা চলে আসছিল তার কোন বৈধতা ছিল না। গ্যাস উৎপাদন ও পাওয়ার প্লান্টের কাজ পেতে ব্যেক্তির পরিচয়ই যথেষ্ট ছিল। এখন আর তা চলবে না।
বিশেষজ্ঞরা বলেন সবসময় গ্যাসের ঘাটতি থাকছে। এর সমাধান নিজস্ব উৎপাদন তাই অন্তর্বর্তী সরকারকে দেশব্যাপী গ্যাসের উৎস খোঁজার পরামর্শ দেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ নীরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা আগামী কয়েক বছরে কিছু প্লান্টের মেয়াদ বা চুক্তি শেষ হবে। তাই যে প্লান্টগুলো এখন নির্মাণাধীন সেগুলো দ্রুত শেষ করার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
উপদেষ্টা জানান, এবার তেল আমদানি উন্মুক্ত করায় টেন্ডারে ১২জন অংশ নেন এতে সরকারের সাশ্রয় হয়েছে ৩৭০ কোটি টাকার পাশাপাশি এলএনজি আমদানি উন্মুক্ত করায় বিদেশী বড় কোম্পানিও এখন অংশ নিচ্ছে টেন্ডারে। এখন থেকে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়া বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে আর কোন প্রকিউরমেন্ট হবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সবকিছু স্থিতিশীল থাকলে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ ১২ টাকা থাকতে পারে গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে চুরি থামানো যাবে না। তাই ব্যবহার অনুযায়ী বিলের জন্য মিটার পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ তাদের।

Leave a Reply