1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগাতে চাই: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী শালিখায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‍্যালি ও ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসসহ বিভিন্ন কর্মসূচীতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অংশগ্রহণ শালিখায় ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য সার্বভৌমত্ব র‍্যালি মহালছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে আর পথ হারাবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আজ ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস নগরকান্দার সেনা সদস্য তিতাস শেখ মারা গেলেন টেকনাফে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মহালছড়িতে সিপাহি বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

ভারত যে কারণে দক্ষিণ এশিয়াতে বন্ধুহীন

  • বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৭ গননা করুন

একতা ডেস্কঃ উগ্র হিন্দুত্ববাদী চেতনায় বিশ্বাসী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের কূটনৈতিক কৌশলগুলো তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারতের বন্ধুদের সংখ্যা হ্রাস করেছে। নিক্কেই এশিয়া-এর একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন, শিরোনাম “মোদির ভুল পররাষ্ট্র নীতি দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকে একা করে দিয়েছে’, তুলে ধরেছে কিভাবে ভারত তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করেছে। প্রতিবেদনটি পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান বিরোধের কথা উল্লেখ করেছে।

১৯৪৭ সালে তথাকথিত দ্বি-জাতিত্ব প্রয়োগ করে ব্রিটিশ ভারতের বিভাজনের পর থেকেই পাকিস্তানের সাথে দেশটির শত্রু সম্পর্ক চলমান। এর মূল কেন্দ্রবিন্দু জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চল। উভয় দেশই ১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৭১ এবং ১৯৯৯ সালে একাধিক যুদ্ধ করেছে এবং সামরিক উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে। প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে ভূখণ্ড দাবী, সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ, পানি সংক্রান্ত বিরোধ এবং ভারত-শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ। সাম্প্রতিক উত্তেজনা বেড়েছে ২০১৯ সালে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর এবং সীমান্তে সহিংস ঘটনার কারণে।

ভারতের অভ্যন্তরীণ কিছু নীতি বর্তমান বাংলাদেশ-ভারতের সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণ। যেমন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (NRC), যা অনেকের কাছে বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রতি বৈষম্যমূলক বলে মনে হয়েছে। এর ফলে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে এবং বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা করছে।

২০১৫ সালে নেপালের সংবিধানে সংস্কার বিষয়ে ভারতের কঠোর মনোভাব এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহে আরোপিত অবরোধের ফলে দুই দেশের সম্পর্কের উপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সেটি অবশ্যই নেপালের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। নেপাল এরপর চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, যা ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনে বামপন্থী সরকার গঠনের পর থেকে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ভারতের ঐতিহ্যগত প্রভাবকে সীমিত করেছে। একইভাবে, মালদ্বীপেও চীনের উপস্থিতি বাড়ছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews