একতা ডেস্কঃ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে মায়ানমার জান্তা। এমন ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশটি ধ্বংসের মুখে পতিত হলেও থেমে নেই এই হামলা। মায়ানমারে সৃষ্ট ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬০০ ছাড়িয়ে গেছে। এসব হামলার সমালোচনাও করেছে জাতিসংঘ। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির কিছু অংশে বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে জান্তা বাহিনী। গতকাল ২৯ মার্চ, শনিবার রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জাতিসংঘ এই হামলাগুলোকে জঘন্য এবং অগ্রহণযোগ্য বলে বর্ণনা করেছে। বিশেষ প্রতিবেদক টম অ্যান্ড্রজ বিবিসিকে বলেছেন, ‘যাদের সামরিক বাহিনীর ওপর প্রভাব আছে তাদের উচিত তাদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করা এবং স্পষ্ট করে বলা উচিত যে- এটি গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি প্রায় চার বছর আগে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক সরকারের প্রতি সকল ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। বিবিসি বার্মিজ নিশ্চিত করেছে, উত্তর শান রাজ্যের নাউংচোতে বিমান হামলায় সাতজন নিহত হয়েছে। ভূমিকম্প আঘাত হানার তিন ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সময় দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটের দিকে এই হামলা চালানো হয়।
গণতন্ত্রপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো যারা সামরিক বাহিনীকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য লড়াই করছে তারা ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল উত্তর-পশ্চিম সাগাইং অঞ্চলের চাং-ইউ শহরে বিমান হামলার খবর দিয়েছে। থাই সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চলে বিমান হামলার খবরও পাওয়া গেছে। ক্ষমতাচ্যুত বেসামরিক প্রশাসনের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত রবিবার থেকে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ‘প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ ব্যতীত আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে’ দুই সপ্তাহের জন্য বিরতি শুরু করবে তাদের সশস্ত্র বাহিনী।
Leave a Reply