একতা ডেস্কঃ ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, এটি নিয়ে তাদের বক্তব্য রয়েছে। আমরা সেটি তাদের থেকে জানতে চাই। অন্যদিকে শেখ হাসিনা যদি ভারতে বসে কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম চালায়, তার দায় ভারতকে নিতে হবে। অবশ্যই এ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আমরা ভারতের কাছ থেকে জবাবদিহিতা চাইব। গতকাল বুধবার বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান কক্ষে আয়োজিত আহমেদ ফয়েজের ‘সংবাদপত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, তারা ভারত থেকে ভয়-আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। আমরা বলতে চাই- আতঙ্ক ছড়িয়ে লাভ নেই। ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে ছাত্র-জনতা মাঠে আছে, মাঠে থাকবে। আন্দোলনের সময় গুম থেকে ফেরত আসার পর আমি বাইরে গেলে কয়েকটা পত্রিকা নিয়ে আসতাম দেশের পরিস্থিতি জানার জন্য। তখন বুঝতাম, তাদের ব্যাপক ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই ভূমিকাই ছিল। ১৪ তারিখ পর্যন্ত কোটা আন্দোলনই ছিল। ১৬ তারিখ থেকে সেটি সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এর পর পত্রিকাগুলো নেতিবাচক ভূমিকা রাখে। অনেকে অনলাইন থেকে তাদের রিপোর্ট সরিয়ে নিলেও পত্রিকাগুলো আমরা আর্কাইভ করার ব্যবস্থা করে রাখি।
ডিজিএফআই পত্রিকাগুলোকে চালাত, তারা আমাদের বিরুদ্ধে লিখতে বাধ্য করত। যারা সরকারের পক্ষে কাজ করেছে, বাধ্য হয়ে বা আদর্শিক কারণেই সেটি কিন্তু তারা প্রকাশ করছে না। তিনি মনে করেন, নৈতিক কারণেই তাদের বক্তব্য প্রকাশ করা উচিত। এতে মানুষের হারানো বিশ্বাস হয়তো কিছুটা ফিরে আসবে।

Leave a Reply