একতা ডেস্কঃ সর্বশেষ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা হয়েছিল ২০১২ সালের শুরুর দিকে। শুরুতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার প্রতিবেদন পাঠ করেন। দলটির প্রয়াত নেতাদের স্মরণ করে আনা হয় সুপ্রস্তাব। দলের প্রধান খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে বলেন, নিজেদের সুবিধার জন্য সংবিধান সংশোধন করেছে সরকার, যাতে তারা আবার ক্ষমতায় আসতে পারে। সরকার বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার জন্য ছক কাটছে-এমন অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া। তারা তো বিএনপিকে মাইনাস করতে চায়, যাতে তারা আবার ক্ষমতায় আসতে পারে। সেজন্য বিএনপির কিন্তু কোনো ভয় নেই। বিএনপির সঙ্গে এ দেশের জনগণ আছে, এ দেশের প্রশাসন আছে, এ দেশের পুলিশ বাহিনী আছে, এ দেশের স্বাস্থ্য বাহিনী আছে, এ দেশের সাধারণ মানুষ আছে।
জিয়া অরফান্স ট্রাস্ট মামলার কোনো ভিত্তি না থাকায় মামলায় কোনো সাজা হতে পারে না বলে মনে করেন তিনি। নিজেকে নির্দোষ দাবি করে খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, “মিথ্যা মামলায় আমাকে সাজা দেওয়ার প্রচেষ্টায় লিপ্ত সরকার। বিচারটা কোথায়? কীসের বিচার করবে! অপরাধ নেই তো বিচার হবে কী করে। কেন অপরাধের উপরে বিচারটা হবে। তারপরেও তারা গায়ের জোরে বিচার করতে চায়, গায়ের জোরে কথা বলতে চায়।
আপনারা অনেকে মনে করেন, আমি তো ভিতরে থাকলে খবর পাই না, আমি খবর রেখেছি এবং সেভাবেই আমরা কিন্তু কাজগুলো করছি। যারা বেঈমানি করেনি দলের সঙ্গে, তাদেরকে আমরা অবস্থান দেবো, ভালো ভালো জায়গায়। সকলে বিপদ আসলে সকলে একসঙ্গে বিপদ মোকাবেলা করব। আমি যেখানেই থাকি না কেন, আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, ইনশাআল্লাহ। ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, তাই হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রতিহিংসার রাজনীতি করবে না।

Leave a Reply