1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা মহালছড়িতে পিডিবিএফ-এর নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী খাগড়াছড়িতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া প্রদর্শনী শালিখায় সি এন আর এস এর উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন মহালছড়িতে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন শালিখায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শালিখায় সিপিবি-র বৈঠক অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী ও সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার বিতরণ নতুন বাজেট জনগনের কল্যাণ ও উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েছে: সংস্কৃতি মন্ত্রী শালিখায় চুরির অভিযোগে তিন চোর আটক

অসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগ্রত হোক

  • বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৪২৩ গননা করুন

ধর্মীয়, রাজনৈতিকসহ সবধরণের বিভাজন ও সংঘাতকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার দায়িত্ব থাকে প্রতিটি সচেতন নাগরিকের ওপর। আসলে বিভাজনের মধ্যে ধর্মের কথাটা আসা অনূচিত। কারণ ধর্ম কখনো মানুষকে ঘৃণা করতে শেখায় না, তাই ধর্ম হলো সকল পবিত্রতার উৎস। তবে বর্তমান বিশ্বের বিভাজনটাই দেখানো হচ্ছে ধর্মকে নিয়ে। এটি সম্পূর্ণ রাজনীতির খেলা। পূঁজিবাদী বিশ্বের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন চলছে এই ধর্মকে ব্যবহার করেই। এ বিভাজন ও সংঘাত কেবল ভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই হচ্ছে না। স্ব-স্ব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেও চলছে তা। যেমন ইসলাম ধর্মানুসারীরা শিয়া, সুন্নী, কুর্দি, সুফী, কাদিয়ানীরা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে আছে যুগ যুগ ধরে। এ সংঘাত শুরু হয়েছে সনাতনীদের মধ্যেও। বৈষ্ণব, শৈব গৌড়ীয় মতবাদীদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তাদের মধ্যে মতবিরোধ, বিভাজন, সংঘাত ছিল না। অধূনা মতুয়া মতবাদীদের উত্থানের পর ভিন্ন মতাবলম্বীদের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হয়ে গেল।

এই বিভাজন, সংঘাত সৃষ্টির জন্য কিন্তু অবশ্যই ধর্ম বা মতবাদ দায়ী নয়। এর পেছনে আছে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। সেই সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসনবাদীরা কূমন্ত্র দিয়ে, নানারকম প্রলোভনদেখিয়ে উভয়পক্ষকে সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে দেয়। কারণ তারা এটা নিয়েই মেতে থাকবে সর্বক্ষণ। তাহলেই সাম্রাজ্যবাদ সর্বমহলের সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব খাটিয়ে তাদের কর্তৃত্ব অব্যাহত রাখতে পারবে তারা।

সাধারণ মানুষ সাম্রাজ্যবাদের এই সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বুঝতে না পেরে তাদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে নিজেদেরকে জড়িয়ে নেয় সংঘর্ষের সাথে। সাম্রাজ্যবাদ সবচেয়ে বেশি ফায়দা লোটে ধর্মীয় ব্যবসা আর রাজনীতিতে। ধর্মীয় শিক্ষার উচিত, মানুষকে সর্বোচ্চ নৈতিক চরিত্রের অধিকারী করে তোলা। প্রকৃতপক্ষে ধর্ম সে কথাই বলে।

পরিশেষে সার কথা হলো ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সকলের। এই মনোভাব নিয়ে ব্যক্তি ধর্মচর্চা করুক। আর সামাপ্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার মাধ্যমে আমরা সবাই বাঙালি হয়ে জাতীয় জীবনে তথা দেশের শান্তি আর প্রগতির সংগ্রামকে চলমান রাখি।

নির্বাহী সম্পাদক

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews