একতা ডেস্কঃ কুপমন্ডুকতা পরিহার না করতে পারলে ধর্ম এবং ধর্মের দর্শন উপলব্ধিকরা যায় না। নামে ধার্মিক নয় সার্বিক ভাবে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে হবে। ধার্মিক হওয়ার উদ্দেশ্য হল স্রষ্টার আনুগত্য করা। তার নির্দেশিত পথে চলা। আর স্রষ্টার পথই হল কল্যাণের পথ। কল্যানের পথে যে থাকে তার দ্বারা অকল্যাণ হওয়া মোটেই সম্ভব নয়। যদি ব্যত্যয় হয় বুঝতে হবে সে ধার্মিক নয়। সৃষ্টিকর্তা একজন মানুষের মধ্যে ততটুকুই শক্তি দিয়েছেন যে টুকু তার মধ্যে থাকা দরকার। সে শক্তি যদি তিনি পরিপূর্ণ রূপে ব্যবহার করতে পারেন তা হলে সে আদর্শ মানুষ হিসিবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। আর এ জন্য প্রয়োজন নিজের জ্ঞান চক্ষুর দ্বার উন্মোচন করা। আর এভাবেই পরিশুদ্ধ একজন ধার্মিক সমাজের মঙ্গল সাধনে নিবেদিত হতে পারবে। এই সুদীর্ঘ মন্তব্যটি করলেন যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম।
যশোরে স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মতিথি উৎসব উপলক্ষে রামকৃষ্ণ আশ্রম ও শিশন আয়োজিত উৎসবের আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ২১ জানুয়ারি, মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলারতির পর বেদমন্ত্র পাঠ ও প্রার্থনা, বিশেষ পূজা, হোম ও পুষ্পাঞ্জলির মধ্য দিয়ে এ উৎসব শুরু হয়। এরপর আলোচনাসভা ও ভক্তিমূলক সংগীতানুষ্ঠান শেষে প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে এ উৎসব সমাপ্ত হয়।
স্বামী বিবেকানন্দের জীবন ও আদর্শ শীর্ষক আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দ। সম্মানিত অতিথি ছিলেন যশোর সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস। আলোচক ছিলেন ডাক্তার জয় প্রকাশ বসু। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রবীণ শিক্ষক তারাপদ দাস ও যশোর স্বামী বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ যশোরের সভাপতি তপন রায়। স্বাগত বক্তব্য দেন আশ্রমের সহ সম্পাদক স্বামী আত্মবিভানন্দ। সঞ্চালনা করেন দেবাশীষ রাহা।

Leave a Reply