একতা ডেস্কঃ কূটনৈতিক আলোচনা চললেও ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। সম্ভাব্য অভিযানের জন্য তিন দিনের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনাও তৈরি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৮ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিকল্পনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির কারখানা, অস্ত্রাগার, গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো এবং শীর্ষ সামরিক কমান্ড সেন্টারগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দিয়ে একাধিকবার সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে প্রতিরক্ষা দপ্তরকে সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে এবং বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে কোনো সামরিক হামলা চালাবেন না।
অন্যদিকে, পারস্য উপসাগর ও আশপাশের সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলা বাড়ার জবাবে চলতি মাসে দেশটির কাছাকাছি জলসীমায় তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন করেছে পেন্টাগন।
কূটনৈতিক আলোচনা ও সামরিক তৎপরতা পাশাপাশি চলতে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এতে অঞ্চলটিতে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
Leave a Reply