একতা ডেস্কঃ বিএনপি সব সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে ছিল এবং ভবিষতেও থাকবে। তাদের পাশে থেকে সকল কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করবে বলে দাবি করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। শুক্রবার দুপুরে নাটোর শহরের পিলখানা কাপুড়িয়াপট্টি এলাকায় শ্রী মন মহাপ্রভুর বাৎসরিক ভোগ মহোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ২০০৮-২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসন আমলে নাটোর কারু-কাঞ্চন জুয়েলার্সে দু’বার ডাকাতি হয়েছে। সন্ধ্যা বেলায় যমুনা জুয়েলার্সে হামলা ও ডাকাতি হয়েছে। হিন্দুদের ওপর হামলা, নির্যাতন, নিপীড়ন, জমি দখল, বাড়ি দখল, পুকুর দখল সব হয়েছে আওয়ামী লীগের আমলে। সবচেয়ে স্বর্ণযুগ ছিল বিএনপির শাসন আমল। ১৯৯২ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বাবরি মসজিদে হামলা হয়েছিল। সে সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে থেকে দিনরাত তাদের নিরাপত্তা দিয়েছে। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল। সে সময় নাটোরের হিন্দুদের শরীরের একটি আঁচড়ও পড়েনি। নাটোরের হিন্দু ভাই-বোনেরা স্বর্ণালী সময় কাটিয়েছে। ২০০৮-২০২৪ সাল পর্যন্ত হিন্দু মানুষরা কষ্টে দিন পাড় করেছে। এসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছে।
বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আপনাদের পাশে থেকে সকল কর্মকাণ্ডকে সহযোগিতা করবে। এ দেশ আমাদের, যার যার স্ব স্ব ধর্ম পালন করবে। আমাদের মধ্য কোনও ভেদাভেদ নেই, আমরা সবাই ভাই ভাই। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। এ দেশে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর বিএনপি নেতাকর্মীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। রাত জেগে তাদের বাড়ি পাহাড়া দিয়েছে। আমি দুলু যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন আমার হিন্দু ভাইদের পাশে থাকবে। তাদের নিরাপত্তার জন্য জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতাকর্মীরা পাশে থাকবে। আমার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হিন্দু ভাইদের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করব।
নাটোর জেলা জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বপন কুমার পোদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন-নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, জেলা যুব দলের সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সোহাগ, জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রঘুনাথ কর্মকার, জয়কালী বাড়ি মন্দিরের সভাপতি নীলমনি কর্মকার প্রমুখ।
Leave a Reply