1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মধুমতীর বুকে বৈঠার লড়াই, দুই পাড়ে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শালিখায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন! যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত মহালছড়ির দুই কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়! পাসের হার ১৬.৬১ ও ৪.৩৫ শতাংশ লংগদুতে আসন্ন শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান শালিখায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল রাড়িখালি একাদশ বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া সরাতে হবে শনিবারের মধ্যে, না হলে বরাদ্দ বাতিল

সংবাদে সঠিক তথ্য চাই সাথে সংখ্যালঘুদের কিছু পরামর্শ

  • রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৭৮ গননা করুন

গত বিশ ডিসেম্বর শুক্রবার রাতে নাটোরের মহাশ্মশান মন্দিরের নৈশ প্রহরীকে খুন করেছে কে বা কারা। ঘটনা দুঃখজনক হলেও সত্য যে, খবরে প্রকাশ স্থানীয় বড়হরিশপুর এলাকার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে ঢুকে সেবায়িত তরুণ চন্দ্র দাশকে হত্যা করা হয়েছে। এ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দিয়েছিলেন মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সত্য নারায়ণ রায় টিপু। সকালে ভক্তরা গিয়ে দেখেছে মন্দিরের দান বাক্সের ও ভান্ডার ঘরের তালা ভাঙ্গা এবং গ্রিল কাটা ছিল। সম্ভবত তরুণকে হত্যা করে ডাকাতরা মন্দিরের টাকা এবং কাঁসা পিতলের বাসনপত্র নিয়ে গেছে।

এ সংবাদ প্রকাশের পর নাটোর জেলা পর্যায়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে নিহত তরুণ চন্দ্র দাশ আসলে মন্দিরের সেবায়িত ছিলেন না। তিনি ছিলেন নৈশ প্রহরী। তাহলে স্পটে দেখা যাচ্ছে চুরি বা ডাকাতির জন্য নৈশ প্রহরীকে খুন করা হয়েছে। সেখান থেকে বেশ কিছু মালামালও নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এখন বিষয়টি হলো নৈশ প্রহরীকে সেবায়িত বলে চালিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্য কী ছিল?

উদ্দেশ্য মোটেই ভাল ছিল না। সেবায়িত হত্যা মানে, সাম্প্রদায়িক হামলা বলে চালিয়ে দেয়ার দুরভিসন্ধি ছিল এটি। তবে এর পরিণতি যে কত ভয়াবহ হতে পারে সে ধারণা এখনো তাদের মগজস্থ হয়নি। হ্যাঁ, মানছি সংখ্যালঘুদের যে কোন মূল্যে অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সেই সাথে এটুকুও বলে রাখি মিথ্যে দিয়ে কোন আন্দোলন, সংগ্রাম, লড়াই হয় না। বরং সত্যটা যখন প্রকাশ পায় তখন টিকে থাকা যায় না। চুরির সাথে সাথে একটি খুন হয়েছে। আন্দোলনের জন্য এটি কিন্তু কম ইস্যু না। এ ঘটনাকে প্রতিপাদ্য করে অবশ্যই আন্দোলন করা যায়। যতটা খবর পেয়েছি আগামীকাল এ ঘটনার প্রতিবাদে নাটোর জেলা শহরে বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ সভা করা হবে। আপনারা তাদের সঙ্গে মিলে, তাদের হাতকে শক্ত করে আপনাদের সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যান। বিপদে আপদে যারা পাশে এসে দাঁড়ায়, তারাই মানুষের প্রকৃত বন্ধু হয়।

বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে সংখ্যালঘু সনাতনীরা কেবল আওয়ামী লীগকেই বন্ধু ভেবে আসছে। যদিও আজ পর্যন্ত তারা ভোটের সময় ছাড়া কোনদিন সংখ্যালঘুদের বন্ধু হয়নি। আওয়ামী লীগের শাসনামলে মন্দিরে ঢুকে এমন সেবায়িত হত্যার ঘটনা ঘটেছে অগণিত। শেষমেষ গেঁরুয়া বেশধারীরা পালিয়ে বৃন্দাবন বিহারে গিয়ে জীবন বাঁচিয়েছিলেন। তখন কিন্তু শেখ হাসিনা একটি খুনের ঘটনারও সুষ্ঠ তদন্ত করার চেষ্টা করলেন না। ধর্মীয় অবমাননার ধোঁয়া তুলে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়েছে, খুন, ধর্ষণ করেছে তার সোনার ছেলেরা। শেখ হাসিনা ভ্রুক্ষেপও করেননি। বিশেষ বিশেষ জায়গায় সিসি ক্যামেরা বা গুগলের কল্যাণে যখন কোন আসামী ধরা পড়েছে। তখন তাকে পাগল বলে সাব্যস্ত করেছে শেখ হাসিনার সরকার ও তার চামচারা। কই, তখন তো সংখ্যালঘুদের ওপর দরদ উথলে ওঠেনি! আজ কেন তাদের ওপর এত দরদ দেখিয়ে তিলকে তাল করে দেখানো হচ্ছে?

এসব আওয়ামী চেতনার আলামত। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের এই চেতনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কেবল সংখ্যালঘুদের সার্থ সম্বলিত বিষয়গুলো মগজে ধারণ করতে হবে। সঠিক তথ্য দিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করতে হবে। কারো প্ররোচনায় কোন রকম মিথ্যের আশ্রয় নেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

এই সাথে আর একটি কথা না বললেই নয়। তা হলো প্রতিবেশি দেশ ভারতের রাজনীতি এখন খানিকটাই অসুস্থ। অনেক হিন্দুরা ভারতকে দিয়ে অনেক কিছু আশা করছে। ভাবছে ভারত পৃষ্ঠপোশক হয়ে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বাংলাদেশে। এ ভাবনার বাস্তবতা সম্পূর্ণ শূণ্যের কোটায়। দেশটির বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে একে অপরকে ক্ষেপিয়ে দিচ্ছে বিপরীত ঘারানার ভোট কমিয়ে নিজেদের অনুকূলে সমর্থন বাড়াতে। তাদের সেই কাজে ব্যবহার করছে বাংলাদেশ ও এ দেশের সংখ্যালঘু ইস্যুকে। তাদের এই ফাঁদে যেন পা না পড়ে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে বাংলাদেশের প্রতিটি সংখ্যালঘু নাগরিকের।

নির্বাহী সম্পাদক

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews