1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দায় দুই ব্যবসায়ীকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত মহালছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত শালিখা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম মুন্সি শহিদুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ মধুমতীর বুকে বৈঠার লড়াই, দুই পাড়ে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে মাইসছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শালিখায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন! যুব ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি মহালছড়িতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত মহালছড়ির দুই কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়! পাসের হার ১৬.৬১ ও ৪.৩৫ শতাংশ লংগদুতে আসন্ন শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান

হিমাংশুদেব বর্মণের একটি কাহিনীবদ্ধ দীর্ঘ কবিতা

  • রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৫৬ গননা করুন
কবি হিমাংশুদেব বর্মণ।
কবি হিমাংশুদেব বর্মণ।

কবি পরিচিতিঃ ১৯৭৭ সালের ২৫ নভেম্বর মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলাধীন দীঘলগ্রামে তার জন্ম। ছোটবেলা থেকেই তার লেখালেখির প্রতি তার ঝোঁক। লিটলম্যাগসহ দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাপাতাহিকে তার লেখা গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, সমসাময়িক রাজনৈতিক নিবন্ধ ও সাহিত্য সমালোচক হিসেবে রিভিউ ছাপা হয়ে থাকে মাঝে মধ্যেই। তাছাড়া তিনি বাংলাদেশের একটি জাতীয় পত্রিকায় সাংবাদিকতা করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। সম্প্রতি তিনি একটি অনলাইন পোর্টালে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

ভরদুপুরের খেয়া

 

যাপণ :     তুমি কি বৃষ্টি নেবে?

তবেই আমাকে ডোবাবে জানি;

আবার খরাও?

এই তো, পোড়ানোরও ফন্দি;

রোহি :     তবে থাক ওসব!

যাপণ :   না,

আমার আশা, আশঙ্কা—

সব জমাট বাঁধা মেঘ নিয়েই তুমি থাকো।

রোহি :    সবকিছুতেই তোমার ভয়—

কেন?

যাপণ :  উঁ—হুঁ! ভয় শুধু তোমাকে

পাওয়া না—পাওয়ায়।

সেখানে কোনো ব্যর্থতা নেই।

কেবল বোঝা না—বোঝার মাঝখানে

দাঁড়িয়ে মাত্র।

যেখানে তোমার থিতু।

রোহি :  আমি আর বদলাতে পারলাম কই!

জ্ঞান ফিরে দেখি হাসপাতালের বিছানায়

চিৎকার করি, তোমাকে খুঁজি

আর বুড়ো মাঝিকে।

ভাবলাম; কেন বেঁচে আছি!

আচ্ছা! বুড়ো মাঝির কোনো খবর জানো?

যাপণ:     মরে গেছে।

শুনেছিলে, ঠিক তার পাঁচদিন পর—

ছ’মাইল ভাটিতে পওয়া গিয়েছিল

এক বৃদ্ধের লাশ!

সেটা ওই বুড়ো মাঝিরই ছিল।

রোহি :     কী আত্মাহুতি—

সত্যি আমার কান্না পায়।

যাপণ :    পাগলামীটা না করলেই পারতে;

এখন কেঁদে কী হবে?

বুড়ো মাঝিকে তো আর পাবে না!

রোহি :     ওটা ছিল আমার পাগলামী নয়—

নতুনের ডাক।

মেল : নতুন!

রোহি:      হ্যাঁ, তোমার নতুন প্রজন্ম।

যাপণ :    বল সে কোথায়—

রোহি:      বখাটে হয়ে গেছে।

পরিচয় দিতে ঘৃণা হয়।

তোমার মনে আছে,

সেদিন কী হয়েছিল আমাদের?

যাপণ :   আকাশ ডুবেছিল মেঘের গ্রাসে

থমকে গিয়েছিল পৃথিবী।

চমকেছিল বিজলি আকাশ ফেঁড়ে;

রোদের ঝিলিক নিভেছিল নিঃশব্দে।

গতর ভরা প্রলয় নিয়ে হামলে পড়েছিল বাতাস।

প্রচণ্ড ভয়ঙ্কর ছিলো সে রূপ!

রোহি :    বুড়ো মাঝির নৌকা তখন মাঝ—গাঙে।

আমরা তার নবযাত্রী।

কিছু দেখা যাচ্ছিল না দু’কূলে।

যাপণ :   না জানি সাঁতার—

এই বুঝি সব শেষ হয় হয়।

অতৃপ্ত বাসনার স্বাদে মাতলে তুমি;

একটু ছুঁয়ে দেখা দু’জনে।

কী যেন বলেছিলে বুড়ো মাঝিকে?

রোহি :   শরীর জলের আচমকা ঢেউ—এ

সব লাজ লজ্জা গেল ধুয়ে।

সব ভনিতাকে কবর দিলাম চরাটের নিচে।

বললাম, মাঝি কাকা; চোখ বোজো।

মাঝি চায় অবাক চোখে।

বলি, কিছু ঠিক নেই, থাকবে না।

এই ঝড়ে নৌকাডুবি হবে।

আমরা মরব নির্ঘাত।

মরণকালে আজীবনের স্বাদ পূর্ণ করি একবার।

চেয়ে থেকো না মাঝি কাকা

আমি ওকে আমার কৌমার্য দেব।

মাঝি:     তা হয় না মা—জি!

কৌমার্যদানের খেলা—

প্রকৃতির পরমৈশ্বর্যে্যর মাঠে

পরম মোহনীয় দৃশ্য

গ্যালারিতে বসে চোখ বন্ধ থাকে না।

করো তোমার কৌমার্য দান—

রোহি :   বুড়ো মাঝি দিল ঝাঁপ মদ্যিগাঙে।

ভন ভন ঘুরতে থাকে ভরদুপুরের খেয়া নৌকা।

মরবে বলে বাঁচার সুখ

নিতে দুটি প্রাণ উন্মুখ।

খেয়া নাচে ঢেউয়ের তালে

আমরা দুলি মরণদোলে

কী ভয়ঙ্কর সুখের নেশায়;

কখন কাঁপালো ঝড় দেহের তারে তারে।

ডুবালো হাসি, কান্না মুখ, ডুবলো সুখের উল্লাস।

উন্মাদ খেয়া নৌকা উল্টে গেল ডুবে।

সেই যে শুরু হাবুডুবু;

আর পাইনি কিনারা।

 

যাপণ :   ডাকো এবার প্রজন্মকে।

জাগিয়ে তুলি একবার তারে

রোহি :      কালের স্রোতে হারিয়ে গেছে সে।

যাপণ :     তবুও,

আমি ওর পিতা হতে চাই।

আমি ওর শিক্ষা।

এসো, ওকে তারুণ্য দিই আর ভালোবাসা।

মানবতার বন্ধ দুয়ার খুলে দিই

চুপ থেকো না।

সেদিন যেমন বুড়ো মাঝিকে বলেছিলে চোখ বুজাতে—

আজ তোমার প্রজন্মের চোখ খুলে দিতে

এসো যেখানে মিলেছে তার অন্ধকারের শিরা—উপশিরা।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews