1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বৈসাবি মেলার সমাপনী দিনে জোন অধিনায়কের সম্প্রীতির বার্তা ও আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়িতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ (বৈশাখী) উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নগরকান্দা ও সালথায় বাংলা বর্ষ বরণ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মহালছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ বরণ মহালছড়িতে ঐতিহ্যবাহী মাতাই পুখরী তীর্থ মেলা ১৪৩৩ বাংলা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নগরকান্দা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত, বাগেরহাট মোংলা ও সুন্দরবনে দুইদিন শালিখায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলবিঝুর মধ্যে দিয়ে মহালছড়িতে তিন দিন ব্যাপি বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু’র আনুষ্ঠানিকতা শুরু

সিঙ্গাপুরে অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি যুবক

  • রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২১১ গননা করুন

একতা ডেস্ক: সিঙ্গাপুরে একটি বহুতল ভবনে জানালার বাইরে আটকে থাকা ৩ বছর বয়সী এক শিশুর প্রাণ বাঁচালেন জহির নামের এক বাংলাদেশি যুবক। ঘটনার পর থেকে ৩৪ বছর বয়সী প্রবাসী জহির প্রশংসায় ভাসছেন। জহিরের বীরত্বের জন্য তাকে ইতোমধ্যে পুরস্কৃত করা হয়েছে। খবর স্ট্রেইট টাইমসের। ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যায়, সিঙ্গাপুরে গত ১৭ বছর ধরে লরি চালান জহির। গত ২০ অক্টোবর জহির ছুটির দিন দুপুরের খাবার কিনতে সাইকেলে করে দোকানে রওয়ানা হন। যাওয়ার পথে হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (এইচডিবি) ব্লকে প্রবেশ করতেই সেখানে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জহির সেখানে গিয়ে দেখতে পান যে একটি ভবনের তিনতলায় জানালার বাইরে দেয়ালের পাশে একটা শিশু দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে নিচে পড়ে যেতে পারে শিশুটি। আর সেখান থেকে পড়লেই নির্ঘাত মৃত্যু। এমন পরিস্থিতি দেখে জহির দৌড়ে চলে যান ওই ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাটের মেইন দরজায়। এরপর ডোরবেল বাজান, দরজায় ধাক্কা দেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ নেই। বাধ্য হয়েই নিচে নেমে আসেন জহির। ঠিক এমন সময় ঘটনাস্থলে হাজির হন জহিরের সহকর্মী সা থু ইয়া অং। মিয়ানমারের নাগরিক সা থুকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন জহির। এমন কাজের জন্য প্রশংসার পাশাপাশি তাদের পুরস্কারও দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার সিঙ্গাপুরের ইয়িশুনে এসসিডিএফ বিভাগের সদর দফতরে জহিরকে সিঙ্গাপুর সিভিল ডিফেন্স ফোর্স (এসসিডিএফ) কমিউনিটি লাইফসেভার পুরস্কার প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে তার সহযোগীকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে জহির বলেন, শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য কোনো বিনিময়ের কথা ভাবিনি। এটা আমার নিজের সন্তানও হতে পারতো। আমি আমার ৭ বছর বয়সী ছেলের কথা ভেবে বাচ্চাটিকে বাঁচিয়েছি। তবে এ পুরস্কার পেয়ে খুব সম্মানিত বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন জহির।

তথ্যসূত্রঃ খবরপত্র

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews