1. admin@dailyekota.com : admin :
  2. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে সরকারি প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ মহালছড়িতে আশিকার উদ্যোগে খাদ্য, হাইজিন, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ বিতরণ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ চক্রান্তের প্রতিবাদে এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন চত্ত্বরে প্রতিস্থাপনের দাবিতে আগামী ২৭ জুলাই সোমবার বিকেল ৪ টায় ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ নগরকান্দায় ইন্তেকাল করলেন ইউপি চেয়ারম্যান মহালছড়ির ক্যায়াংঘাট ইউনিয়নে আশিকা ডেভলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটেস এর মানবিক ত্রাণ সহায়তা বিতরণ মহালছড়িতে স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশ ও স্টার্ট নেটওয়ার্কের মানবিক সহায়তা প্রকল্প অবহিতিকরণ সভা অনুষ্ঠিত প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের কিশোরীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ৪৭৭ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, স্যানিটারি ন্যাপকিন ও গাছের চারা বিতরণ শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে আশা হতাশা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় মহালছড়িতে বন্যাদুর্গত ৫০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

সিঙ্গাপুরে অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি যুবক

  • রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৩৭ গননা করুন

একতা ডেস্ক: সিঙ্গাপুরে একটি বহুতল ভবনে জানালার বাইরে আটকে থাকা ৩ বছর বয়সী এক শিশুর প্রাণ বাঁচালেন জহির নামের এক বাংলাদেশি যুবক। ঘটনার পর থেকে ৩৪ বছর বয়সী প্রবাসী জহির প্রশংসায় ভাসছেন। জহিরের বীরত্বের জন্য তাকে ইতোমধ্যে পুরস্কৃত করা হয়েছে। খবর স্ট্রেইট টাইমসের। ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যায়, সিঙ্গাপুরে গত ১৭ বছর ধরে লরি চালান জহির। গত ২০ অক্টোবর জহির ছুটির দিন দুপুরের খাবার কিনতে সাইকেলে করে দোকানে রওয়ানা হন। যাওয়ার পথে হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (এইচডিবি) ব্লকে প্রবেশ করতেই সেখানে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জহির সেখানে গিয়ে দেখতে পান যে একটি ভবনের তিনতলায় জানালার বাইরে দেয়ালের পাশে একটা শিশু দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে নিচে পড়ে যেতে পারে শিশুটি। আর সেখান থেকে পড়লেই নির্ঘাত মৃত্যু। এমন পরিস্থিতি দেখে জহির দৌড়ে চলে যান ওই ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাটের মেইন দরজায়। এরপর ডোরবেল বাজান, দরজায় ধাক্কা দেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ নেই। বাধ্য হয়েই নিচে নেমে আসেন জহির। ঠিক এমন সময় ঘটনাস্থলে হাজির হন জহিরের সহকর্মী সা থু ইয়া অং। মিয়ানমারের নাগরিক সা থুকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন জহির। এমন কাজের জন্য প্রশংসার পাশাপাশি তাদের পুরস্কারও দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার সিঙ্গাপুরের ইয়িশুনে এসসিডিএফ বিভাগের সদর দফতরে জহিরকে সিঙ্গাপুর সিভিল ডিফেন্স ফোর্স (এসসিডিএফ) কমিউনিটি লাইফসেভার পুরস্কার প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে তার সহযোগীকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে জহির বলেন, শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য কোনো বিনিময়ের কথা ভাবিনি। এটা আমার নিজের সন্তানও হতে পারতো। আমি আমার ৭ বছর বয়সী ছেলের কথা ভেবে বাচ্চাটিকে বাঁচিয়েছি। তবে এ পুরস্কার পেয়ে খুব সম্মানিত বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন জহির।

তথ্যসূত্রঃ খবরপত্র

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর দেখুন...
© All rights reserved dailyekota 2024     About Us       Privacy Policy
Theme Customized By BreakingNews