আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। সেই ১৯১১ সাল থেকে শুরু হয়ে শতবর্ষ পার হয়ে গেল প্রতিবছর এ দিবসটি নিয়ে কতরকম মাতামাতি করি আমরা। আসলে সবই লোক দেখানো মাত্র। মন থেকে নারীর
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে সংবিধান পরিবর্তন করার কথা। কখনো বলা হচ্ছে সংস্কারের কথা। আবার কখনো পরিবর্তনের কথা।
কথা শুনে হাসি পায়। কিন্তু ভিষয়টি হাসির নয়, লজ্জার। বড় আশায় বুক বেঁধেছিল বাঙালি। যেদিন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের তোপের মুখে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ও দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন অন্য কোনো দেশে।
প্রসঙ্গঃ নতুন রাজনৈতিক দল সমস্যা যার চোখে পড়ে সে-ই সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারে। কিন্তু তার সমাধান সবাই পারে না। সমাধানের জন্য প্রয়োজন হয় নির্দিষ্ট কিছু লোক, সংগঠন, সংস্থা বা
গত বছরের ৫ আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের তোপের মুখে টিকতে না পেরে ক্ষমতাচ্যূত হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিলেন। তারপর থেকেই ভারতের মিডিয়া এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে
নিরাপত্তা প্রধানদের বৈঠকে উপস্থিত থেকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশে যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বললেন ‘আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার ঘনিষ্টরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক
বেশ আগের কথা। তখন দেশে সয়াবিন তেলের এত চাহিদা ছিল না। সরিষার তেল দিয়েই রান্নার কাজ করা হতো। বিদেশী প্রভুদের পরামর্শে দেশে সয়াবিন তেলের প্রচলন শুরু করার উদ্যোগ নেয়া হলো
মিডিয়ায় চোখ পড়তেই হাহাকারে বুক ভরে উঠতে শুরু করেছে ইদানিং। কেবলই নথি গায়েব। গায়েব হওয়া নথি মিলছে ভাঙাড়ির দোকানে। প্রথমে পুড়লো সচিবালয়। তারপর চট্টগ্রামের আদালতের বারান্দা থেকে নথি গায়েব। বরিশালের
অন্তরবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস সম্প্রতি সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাজ্য তথা ব্রিটেনের এমপি বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত রূপা হকের সাথে। রূপা হকের সংস্কার সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেছেন দেশের জনগণ
প্রতি মুহূর্তে সময় অতীত হয়। অতীত সময়ের জন্য কেউ কান্না করে না। করা উচিতও নয়। কারণ সময় প্রবাহমান। বয়ে চলাই তার কাজ। কান্না করা যায় অতীত কৃত কর্মের জন্য। কখনো